৩০ ঘণ্টা ধরে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করেন স্ত্রী শীতল! মেয়েদের জীবন নিয়ে বড় মন্তব্য বিক্রান্তের
বিক্রান্ত মাসে শেয়ার করেছেন যে, কীভাবে পিতৃত্ব তাঁর জীবনকে বদলে দিয়েছে। তাঁদের ছেলের জন্মের সময় তাঁর স্ত্রী শীতলের প্রসবের যে কষ্ট, তাও ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।
২০২৪ সালে বাবা-মা হয়েছেন বিক্রান্ত মাসে ও তাঁর স্ত্রী শীতল ঠাকুর। আপাতত তাঁদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছেলে বরদান! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিক্রন্তকে বলতে শোনা যায়, ছেলের জন্মের পর থেকে জীবন কতটা বদলেছে তাঁদের! সঙ্গে অভিনেতা একবাক্যে স্বীকার করে নেন, একজন বাবা সন্তানের সঙ্গে যতটা জড়িয়ে থাকুক না কেন, একজন মায়ের ভূমিকা অতুলনীয়। বিক্রান্ত জানান, তাঁর এই অনুভূতি হয়েছে শীতলকে ৩০ ঘণ্টা প্রসবযন্ত্রণা সহ্য করতে দেখার পর।
২০২৪ সালে বাবা-মা হয়েছেন বিক্রান্ত মাসে ও তাঁর স্ত্রী শীতল ঠাকুর।
রণবীর আল্লাবাদিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় বিক্রান্ত জানান যে, বিয়ের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি অল্প বয়সে তাঁর বেশ কঠিন মনে হয়েছিল। তবে সর্বদা একটি পরিবার থাকার স্বপ্ন দেখে এসেছিলেন তনি। আর শীতলের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তাঁর সেই ইচ্ছেই বাস্তবায়িত হয়েছে। আর সঠিক সঙ্গী পাওয়ার পর কোনোদিন মনে ‘কমিটমেন্ট ফোবিয়া’ কাজ করেনি।
তবে ‘মা’ হিসেবে দেখার পর বউয়ের প্রতি যে ভালোবাসা আর সম্মান আরও বেড়েছে, তা বিক্রান্তের কথা থেকেই স্পষ্ট। বললেন, ‘আমি শীতলকে ১০ বছর ধরে চিনি। সেই ছোট্ট মেয়েটাকে গর্ভাবস্থার সময় দেখেছি। ওর পেট দিন দিন বাড়তে দেখা… ৩০ ঘণ্টা ধরে চলা প্রসবযন্ত্রণা সহ্য করা, মেয়েরা অনেক কিছু সহ্য করে।’ তিনি আরও প্রকাশ করেছিলেন যে, শীতলই তাদের ছেলের নাম বরদান বেছে নিয়েছিলেন।
২০২২ সালের ভ্যালেন্টাইনস ডে-র সপ্তাহে, ১৫ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছিলেন বিক্রান্ত ও শীতল। এদিন যদিও হয়েছিল আইনি বিয়েটা। এর তিন দিন পর, ২০১৮ সালে তাঁরা সামাজিক বিয়ে করেন। যদিও একে-অপরকে চেনেন তারও অনেক আগে থেকে। ২০১৫ সাল থেকে বিক্রান্ত এবং শীতল প্রেম করছেন।
কাজের সূত্রে, ২০২৫ সাল বিশেষ ছিল বিক্রান্তের কেরিয়ারে। কারণ টুয়েলফথ ফেল ছবিটির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। আর তাঁকে দেখা গিয়েছিল শানায়া কাপুরের সঙ্গে ‘আখোঁ কি গুস্তাখিয়া’ সিনেমায়।
News/Entertainment/৩০ ঘণ্টা ধরে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করেন স্ত্রী শীতল! মেয়েদের জীবন নিয়ে বড় মন্তব্য বিক্রান্তের