Sovan-Baisakhi: বিবাহিতর সঙ্গে সহবাস, সঙ্গে থাকে মেয়ে মহুলও! 'শোভনের সম্পত্তির উপর অধিকার…, ঠিক কী বলেছিলেন বৈশাখী?

রত্না চট্টোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বহুদিন ধরে ঝুলে আছে শোভনের ডিভোর্স মামলা। তবে বিবাহিত না হলেও, স্ত্রীর সব দায়িত্ব পালন করেন বৌশাখী। ঠিক কী বলেছিলেন তিনি সহবাস সঙ্গীর উপর অধিকার বোধ নিয়ে?

Published on: Dec 16, 2025 2:03 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিয়ে না হলেও, সুখের সংসার শোভন চট্টোপাধ্যায় আর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রত্না চট্টোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বহুদিন ধরে ঝুলে আছে ডিভোর্সের মামলা। যদিও বিবাহিত না হলেও, স্ত্রীর সব দায়িত্ব পালন করেন বৌশাখী। এমনকী, সহবাস-সঙ্গীর নামে সিঁথিতে পরেন সিঁদুরও। হাতে শাঁখা-পলা। সধবা নারীর সবরকম চিহ্ন তাঁর শরীরে বর্তমান। শোভনের গোলপার্কের বহুতলেই একসঙ্গে রয়েছেন তাঁরা বেশকিছু বছর ধরে। সঙ্গে থাকেন বৈশাখী আর মনোজিতের মেয়ে মেহুলও।

সহবাস সঙ্গী শোভনের উপর অধিকার বোধ নিয়ে কী বলেছিলেন বৈশাখী?
সহবাস সঙ্গী শোভনের উপর অধিকার বোধ নিয়ে কী বলেছিলেন বৈশাখী?

বৈশাখী ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ‘সহবাস’ বা ‘সহযাপন’ কথাটার মধ্যে মাধুর্যই পান তিনি। তিনি মনে করেন তাঁদের ‘সহবাস’-এ কোনও বাধ্যবাধকতা নেই এই ধারণা পুরোপুরি ভুল। শোভনের উপর বহু বাধ্যবাধ্যকতা চাপান তিনি, যদিও সেটা পুরোটাই শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে। আনন্দবাজারকে এক সাক্ষাৎকারে বৈশাখী বলেছিলেনন, ‘শোভন চ্যাটার্জীর উপর অধিকার বোধ রয়েছে আমার, শোভন চ্যাটার্জীর সম্পত্তির উপরে নয়’।

বৈশাখীর কথায়, ‘যেভাবে শোভনের চারপাশের মানুষ আমাকে কটু কথা শুনিয়েছে, তাতে আমার এতদিনে এই দরজা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া উচিত ছিল, যদি সহবাস এতটাই সহজ হত। কিন্তু আমার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। দিনের শেষে শোভনের মুখ আমি ভুলতে পারব না। আরেকটা মুখ চিন্তা করতে পারব না। আমরা সহবাসে আছি কারণ আদালত লম্বা টানছে (শোভন ও রত্নার ডিভোর্স)। শোভনের ৭০ বছরে গিয়ে ডিভোর্সটা হলেও আমরা বিয়েটা করব।’

একাধিকবার মনোজিতের সঙ্গে বিয়ে ভাঙা নিয়ে কথা বলেছেন বৈশাখী সংবাদমাধ্যমে। জানিয়েছেন, বিয়ের আগে থেকেই তাঁর গায়ে হাত তুলতেন শোভন। কারও সঙ্গে কথা বললেই সন্দেহ করতেন। বিয়ের পরও প্রায় প্রতি রাতেই বরের হাতে মার খেতেন। এমনকী, মেয়ে মহুলের জন্মের পরেও অবস্থা বদলায়নি। সেই সময় ‘বন্ধু’ শোভনই সাহস দেয় মনোজিতের বাড়ি ছেড়ে, সেই অন্ধকার পরিবেশ ছেড়ে বেরিয়ে আসার। মাথার তলায় এই ছাদটাও দিয়েছিল শোভনই। অনেকেই সেই সময় শোভনের চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ করেছিল। যাতে ছিল মনোজিতও। কিন্তু বৈশাখীর সঙ্গে ‘সহবাস’ শুরুর পর থেকে কোনও নারীর দিকে ঘুরেও তাকাননি শোভন! কদিন পর মেহুলও তাঁদের সঙ্গে থাকতে শুরু করে। আর এখন তো ৩ জনের সুখের সংসার। জন্মদিন থেকে জামাইষষ্টী, লক্ষ্মীপুজো, গণেশপুজো, সরস্বতীপুজো সবই ধুমধাম করে পালন করে মা-মেয়ে। দুজনকে সমানভাবে উৎসাহ দেন শোভন নিজেও। আর পারিবারিক অনুষ্ঠানের ছবিগুলি জায়গা করে নেয় সমাজমাধ্যমে।