Dada Boudi Biryani-Dadagiri: বিরিয়ানির রাজা! দাদা বউদি বিরিয়ানি দোকান থেকে বছরে আয় কত, খোলসা দাদাগিরিতে

ভালো বিরিয়ানি বলতে অনেকেই এখন বোঝেন দাদা বউদি বিরিয়ানি। ১৯৭৫ সালে শুরুটা হয়েছিল একচালার একটি পাইস হোটেল থেকে। এখন বছরে যা রোজগার, তা শুনে চোখ কপালে উঠবে যে কারও।

Published on: Jan 18, 2026 11:26 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিরিয়ানি খেতে যারা খুব পছন্দ করেন, তাঁরা সকলেই পরিচিত ‘দাদা বউদি বিরিয়ানি’ নামের সঙ্গে। ব্যারাকপুরের এই বিরিয়ানি খেতে আজকাল দূরদূরান্ত থেকে লোক ছুটে আসে। শুধু তাই নয়, এখানে বিরিয়ানি খেতে বেশ লম্বা লাইনও লাগাতে হয়। জানেন কি, দাদা বউদি বিরিয়ানি দোকানটি থেকে কত রোজগার হয়? যা তাঁরা নিজেরাই জানিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের একসময়ের জনপ্রিয় গেম শো ‘দাদাগিরি’তে এসে।

দাদা বউদি বিরিয়ানি দোকানের আয় কত?
দাদা বউদি বিরিয়ানি দোকানের আয় কত?

ম ‘দাদা বউদি বিরিয়ানি’-র দুই কর্ণধার ধীরেন ও সন্ধ্যা দাদাগিরির মঞ্চে আসেন ২০২৪ সাল নাগাদ। ব্যারাকপুরে স্টেশনের ধারে দুজনে শুরু করেছিলেন টালির চালের একটি পাইস হোটেল। স্থানীয়রাই ভালোবেসে নাম দেয় দাদা বউদির বিরিয়ানি। সেই ১৯৭৫ সালে শুরু। সৌরভের এই গেম শো-তে এসে ধীরেনবাবু জানিয়েছিলেন, সৎ পথে চলেছেন। মানুষকে ভালোবেসেছেন। আর সেখান থেকেই ভালোবেসে পেয়েছেন দাদা-বউদি নাম।

আরও পড়ুন: ‘যখন আমি উত্তেজনার চরমে থাকি…’! এমন কীসের মোহে শোভন, যে রেগে ঝগড়া করেন ১৫ বছরের ছোট সহবাস-সঙ্গী বৈশাখীকে?

তা এত জনপ্রিয় দোকান থেকে কত আয় তাঁদের, স্বাভাবিকভাবেই সে প্রশ্ন এসেছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে। ধীরেনবাবু জানান, দিনপ্রতি ১ লাখ টাকা আয় হয়েই যায়। আগে তিনি হিসেবনিকেষ রাখলেও, এখন সব দায়িত্ব দুই ছেলে সঞ্জীব আর রাজীবের। বাবা-মায়ের সঙ্গে হাজির ছিলেন ছেলে সঞ্জীব। তিনি জানান যে, প্রতিদিন এক-একটা কাউন্টার থেকে ৪-৫ হাজার প্লেট বিরিয়ানি বিক্রি হয়। বছরে আয় হয় ১০০ কোটি মতো। রোজ ৮০০-১০০০ কিলো মাংস লাগে কিনতে।

আরও পড়ুন: ইলা অরুণের কথায় ফেম গুরুকূলে কেঁদে ভাসান ১৮ বছরের অরিজিৎ সিং, এমন কী হয়েছিল সেদিন?

সৌরভ নিজেও বিরিয়ানি খেতে খুব ভালোবাসেন। যদিও ডায়েট সচেতন দাদা বছরে একদিনই খান বিরিয়ানি, তাও আবার নিজের জন্মদিনে।

আরও পড়ুন: ‘এমন নয় বুম্বাদা কেটে আমার পার্টগুলো…’! তাঁর কেরিয়ার নষ্ট করেন প্রসেনজিৎ? সত্যি সামনে আনলেন যিশু সেনগুপ্ত

দাদাগিরির এই এপিসোডে অবশ্য এক চামচ বিরিয়ানি চেখে দেখেছিলেন। স্পেশাল এই এপিসোডে আরও হাজির হয়েছিলেন শক্তিগড়ের ল্যাংচা কুঠির দোকানের মালিক, শ্যামবাজারের বিখ্যাত হরিদাস মোদকের বর্তমান মালিক। এছাড়াও উপস্থিতি ছিল কলকাতার বিখ্যাত পাইস হোটেল মহল বর্তমানে যিনি চালাচ্ছেন, রোস্টেড কার্ট দোকানের তরুণ মালিক।