Sudipa Son: ছেলে আদি অন্ত প্রাণ! ৩৯৪টি ইঞ্জেকশন, আইভিএফ, সন্তান গর্ভে পেতে কম কষ্ট পাননি সুদীপা
আইভিএফ অর্থাৎ ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে মা হয়েছিলেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। সেই সময়কার যন্ত্রণাদায়ক চিকিৎসার কথা এক সাক্ষাৎকারে ভাগ করে নিয়েছিলেন নিজেই।
সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই ছেলে আদিদেবের নানা ভিডিয়ো শেয়ার করেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। ছেলে আর মায়ের মিষ্টি ভালোবাসা মন কেড়ে নেয় নেটপাড়ার। তবে জানেন কি, মাতৃত্বের এই দিনগুলো খুব সহজে আসেনি সুদীপার জীবনে। ওজন কমানো থেকে ইঞ্জেকশন, আইভিএফ, একাধিক কষ্টের পর কোলে পান আদিদেবকে।

সুদীপা জানিয়েছিলেন যে, আদিদেবের জন্মের আগে পর্যন্ত প্রায় ৩৯৪টি ইঞ্জেকশন নিতে হয়েছিল বলেই জানান তিনি। আসলে স্বাভাবিকভাবে মা হতে পারেননি তিনি। সাহায্য নিতে হয়েছিল আইভিএফ অর্থাৎ ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির। কোনও দম্পতি স্বাভাবিকভাবে সন্তানধারণে সমস্যা হলে আইভিএফের সাহায্য নেওয়া হয়। এটি যেমন কষ্টকর, তেমনই খরচসাপেক্ষ।
আইভিএফের সাহায্যে মা হন সুদীপা:
মা হওয়ার জন্য সেই সময় নিজের ১২ কেজি ওজন কমান। তবুও সন্তান আসছিল না গর্ভে। সুদীপা জানান মন্দির-মসজিদ-গির্জা কিছুই বাদ রাখেননি মাথা ঠুঁকতে। সেই সময় দিনে দুটো করে ইঞ্জেকশন নিতে হত তাঁকে। তবে এই ট্রিটমেন্টের মাঝেও কিন্তু চলছিল কাজ। সেই সময় তিনি জি বাংলার রান্নাঘরের সঞ্চালিকা। তখন যে দিন শট থাকত, একসঙ্গে ৬-৭টা এপিসোডের শ্যুট করতে হত। লম্বা সময় দাঁড়িয়ে শ্যুটিং। শারীরিক শত কষ্টের পরও অবশ্য ভেঙে পড়েননি। এরপরই কোলে আসে ছেলে। ২০১৮ সালে আদিদেবকে কোলে পাওয়া, জীবনের সবচেয়ে বড় পাওনা বলেই মনে করেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।
আরও পড়ু: বুধবার থেকে নতুন সময়ে জি বাংলা-স্টার জলসার একাধিক মেগা! এক নজরে দেখে নিন তালিকা
সুদীপার বিয়ে ও সংসার:
স্বামীর নামের সঙ্গে মিলিয়ে সুদীপা তাঁর ছেলের নাম রাখেন আদিদেব। প্রসঙ্গত, অগ্নিদেবের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম পক্ষ থেকে তাঁর আরও একটি ছেলে রয়েছে, আকাশ। যাকেও নিজের করে নিয়েছেন সুদীপা। সেভাবে আকাশের মা হয়ে ওঠার চেষ্টা একদম করেননি, বরং একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক দুজনার।
প্রযোজক পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়কে ২০১৭ সালে আইনি মতে বিয়ে করেন সুদীপা। তার আগে অবশ্য অগ্নিসাক্ষি রেখে বিয়েটা হয়ে গিয়েছিল, যা অসুস্থ বাবার কথা মাথায় রেখে চটজলদি সেরেছিলেন এই জুটি। বিবাহিত অগ্নিদেবকে বিয়ে করায় কম কটাক্ষ শোনেননি। ‘ঘর ভাঙানি’ তকমাও জুটেছিল কপালে। এমনকী, দুজনের বয়সের ২১ বছরের ফারাক নিয়েও শুনতে হয়েছিল কটাক্ষ। তবে ওই যে, ভালোবাসা থাকলে কোনো কিছুতেই তা মানে না বাধা। সুদীপা-অগ্নিদেবের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছিল। আর এখন তো খুদে আদিকে নিয়ে সুখের সংসার।
E-Paper











