Hema-Dharmendra: ‘হৃদয় ভেঙে চলে গেলে…’, প্রয়াত স্বামীর ৯০তম ‘জন্মদিন’, কান্না থামছে না ধর্মেন্দ্রর সদ্যবিধবা হেমার

ধর্মেন্দ্র তার 90 তম জন্মবার্ষিকীর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে মারা যান। হেমা মালিনী সহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিনেতাকে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

Published on: Dec 08, 2025 4:07 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত ২৪-এ নভেম্বর প্রবীণ বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্র সকলকে কাঁদিয়ে চলে গিয়েছেন। ৯০ তম জন্মদিনের কয়েক সপ্তাহ আগে মারা যান তিনি। আজ তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আবেগে ভাসছে গোটা পরিবার। ধর্মেন্দ্রর সদ্য বিধবা স্ত্রী হেমা মালিনী তাঁকে স্মরণ করে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছেন। হেমা মালিনী ধর্মেন্দ্রর ৯০ তম জন্মবার্ষিকীতে স্বামী ধর্মেন্দ্রর সাথে তাঁর সুখের মুহুর্তগুলির একটি ঝলক শেয়ার করে নিয়েছেন। প্রিয় ধরমজির উদ্দেশ্যে তিনি লেখেন, ‘ধরমজি, শুভ জন্মদিন, আমার প্রিয় হৃদয়। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় কেটে গেছে যখন আপনি আমাকে হৃদয় টুকরো টুকরো করে দিয়েছেন, আস্তে আস্তে টুকরোগুলি সংগ্রহ করছি এবং আমার জীবনটাকে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করছি, জানি সর্বদা আপনি আমার আত্মার সঙ্গে জুড়ে থাকবেন। আমাদের একসঙ্গে জীবনের আনন্দময় স্মৃতি কখনই মুছে ফেলা যায় না এবং সেই মুহূর্তগুলি পুনরুজ্জীবিত করাই আমাকে প্রচুর সান্ত্বনা এবং আনন্দ এনে দেয়।’

‘হৃদয় ভেঙে চলে গেলে…’, প্রয়াত স্বামীর ৯০তম ‘জন্মদিন’, কান্না থামছে না ধর্মেন্দ্রর সদ্যবিধবা হেমার
‘হৃদয় ভেঙে চলে গেলে…’, প্রয়াত স্বামীর ৯০তম ‘জন্মদিন’, কান্না থামছে না ধর্মেন্দ্রর সদ্যবিধবা হেমার

হেমা আরও বলেন, 'আমাদের একসঙ্গে কাটানো সুন্দর সময়গুলোর জন্য, আমাদের দুই সুন্দরী মেয়ের জন্য, যারা একে অপরের প্রতি আমাদের ভালোবাসা পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং আমার হৃদয়ে থাকা সব সুন্দর, সুখের স্মৃতির জন্য আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই। আপনার জন্মদিনে, ঈশ্বরের কাছে আমার প্রার্থনা আপনাকে শান্তি এবং সুখের সম্পদ প্রদান করুন যা আপনার নম্রতা, হৃদয়ের মঙ্গল এবং মানবতার প্রতি আপনার ভালবাসার জন্য প্রাপ্য। শুভ জন্মদিন, প্রিয় ভালোবাসা। আমাদের সুখী 'একসাথে' কাটানো মুহূর্ত।'

সত্তরে দশকের অন্যতম প্রিয় অন-স্ক্রিন জুটি ছিলেন হেমা-ধর্মেন্দ্র। ড্রিম গার্ল হেমার স্বপ্নের পুরুষ ছিলেন চার সন্তানের বাবা-বিবাহিত নায়ক। একসঙ্গে শরাফাত, তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান, নয়া জামানা, সীতা অউর গীতা, রাজা জনি, শোলে-র মতো ছবিতে কাজ করেছিলেন। গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল যে তারা অফ-স্ক্রিনেও প্রেম করছেন। হেমার মা-বাবা এই বিয়েতে রাজি হননি, কারণ ধর্মেন্দ্র ইতিমধ্যে প্রকাশ কৌরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। যাইহোক, সাত বছর প্রেমে পড়ার পরে, তারা ১৯৮০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন।

যদিও সেই বিয়ের কোনও আইনি স্বীকৃতি নেই, কারণ প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে ডিভোর্স দেননি ধর্মেন্দ্র। গুজব রটেছিল হেমাকে বিয়ে করতে ধর্ম বদলে ইসলাম গ্রহণ করেছেন হিম্যান। যদিও পরবর্তী সময়ে নিজেই সেই গুজবকে ভুয়ো বলে জানিয়ে দেন ধর্মেন্দ্র। তাঁদের দুই কন্যা এশা এবং অহনা।

যদিও কোনওদিন ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে এক ছাদের নীচে থাকা হয়নি হেমার, কারণ প্রথম স্ত্রী ও চার সন্তানের সঙ্গেই থাকতেন ধর্মেন্দ্র, সেই বাড়িতে পা রাখার অধিকার আজও নেই হেমার। ধর্মেন্দ্রকে শেষ দর্শন করতে শ্মশানে হাজির হয়েছিলেন হেমা, তবে তাঁর প্রার্থনাসভাতেও দেখা মেলেনি হেমার।