Jowar Bhanta New Slot:জোয়ার ভাঁটার স্লট কাড়া নিয়ে ক্ষুব্ধ আরাত্রিকা ভক্তরা,কী বলছেন উজি? মেগার নতুন সম্প্রচার সময় জানুন

রাহুল মজুমদার ও সম্পূর্ণা  রক্ষিতের সাত পাকে বাঁধা দেখা যাবে জোয়ার ভাঁটার স্লটে। অন্যায় হল নিশা-উজিদের সাথে? এই মেগার নতুন সম্প্রচার সময় সম্পর্কে জেনে নিন। 

Feb 9, 2026, 18:12:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জি বাংলায় আসছে এক জোড়া নতুন মেগা। রাহুল মজুমদার ও নবাগতা সম্পূর্ণা রক্ষিতের সাত পাকে বাঁধা এবং সোহিনী সেনগুপ্ত ও দেবশঙ্কর হালদারের কমলা নিবাস। প্রথমটির সম্প্রচারের সময় সামনে আসতেই মাথায় হাত জোয়ার ভাঁটা ভক্তদের। অনেকেই ক্ষোভে ফুঁসছেন। কাঠগড়ায় তুলছেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে। কারণ রাত ৯টার স্লটে অর্থাৎ জোয়ার ভাঁটার স্থানে আসছে রাহুল মজুমদারের এই মেগা। জোয়ার ভাঁটার স্লট বদল হচ্ছে।

জোয়ার ভাঁটার স্লট কাড়া নিয়ে ক্ষুব্ধ আরাত্রিকা ভক্তরা, কী বলছেন উজি? মেগার নতুন সম্প্রচার সময় জানুন
জোয়ার ভাঁটার স্লট কাড়া নিয়ে ক্ষুব্ধ আরাত্রিকা ভক্তরা, কী বলছেন উজি? মেগার নতুন সম্প্রচার সময় জানুন

শুরুর পর থেকেেই দর্শক মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে জোয়ার ভাঁটা। টিআরপি তালিকাতেও ভালো ফল। তাহলে কেন এই পরিবর্তন? আরাত্রিকা ভক্তদের একটা বড় অংশ বলছে, ‘মেয়েটার কপালটাই খারাপ’। এর আগে মিঠিঝোরাকেও বারবার স্লট বদলের শিকার হতে হয়েছে। গোটা ঘটনায় আরাত্রিকার কী প্রতিক্রিয়া? হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে আরাত্রিকা বলেন, ‘হ্যাঁ, রাত ৯টার স্লটে সাত পাকে বাঁধা আসছে। নতুন জুটিকে অনেক শুভেচ্ছা। ওরা দুর্দান্ত করবে আমার বিশ্বাস’।

উজির কি মন খারাপ? আরাত্রিকার গলায় ঝরে পড়ল আত্মবিশ্বাস। বললেন, ‘যা হয় সেটা ভালোর জন্য। তাই আমার বিশ্বাস নতুন স্লটেও আমরা খুব ভালো ফল করব। নিজেদের সেরাটা একইভাবে উজার করে দেব’।

১৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে কোন সময় দেখবেন জোয়ার ভাঁটা? আমাদের হাতে আসা তথ্য অনুসারে আধ ঘণ্টা এগিয়ে আসছে জোয়ার ভাঁটা। অর্থাৎ প্রাইম টাইম থেকে সরছে না এই মেগা। ওইদিন থেকে আমাদের দাদামণি-র জায়গা নেবে নিশা-উজিরা। এখন প্রশ্ন হল, তাহলে কি প্রতীক সেনের দাদামণি শেষ হবে? মোটেই না! জি বাংলায় আপতত বন্ধ হচ্ছে আনন্দী। এবং আনন্দীর স্লটে অর্থাৎ রাত ১০.১৫ মিনিটে পাঠানো হবে দাদামণিকে।

শুভ আর শাওনের ভালোবাসার গল্প নিয়ে আসছে সাত পাকে বাঁধা। বড়লোক বাবার মেয়ে শাওন ভালোবাসার কাঙাল। রাজপ্রাসাদের মতো বাড়িতেও তাঁর আপন বলতে কেউ নেই। শিক্ষামন্ত্রী বীরেন্দ্র চক্রবর্তীর মেয়ে সে। কিন্তু তাঁর জীবন জুড়ে একাকীত্ব।

ওদিকে সেই রাজপ্রাসাদের উলটোদিকেই বাস শুভর। শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির ছা-পোষা কর্মী সে। পায়রার খোপের মতো ঘরে বাস তাঁর। মশার কামড়ে রাতে ছাদে শুতে বাধ্য় হয় সে। কিন্তু শুভর জীবন ভালোবাসায় মোড়া। বাবা-মা'র নয়নের মণি, দিদির আদুরে ভাই। প্রোমোতে শাওনের প্রতি তাঁর বাবার (দেবদূত ঘোষ) হিমশীতল আচরণ বেশ অদ্ভূত। কোনওকারণে মেয়েকে সহ্য করতে পারেন না বীরেন্দ্র চক্রবর্তী। তাঁর কাছে বাড়ির পোষা সারমেয়র কদরও মেয়ের চেয়ে বেশি। বড়লোক বাবার মেয়ের সঙ্গে গরীব ছেলের প্রেমের কাহিনিতে নতুন কী টুইস্ট আনবে এখন সেটাই দেখবার।