Jagadhatri Last Shoot: চোখে জল, মুখে হাসি, শেষ শ্যুট জগদ্ধাত্রীর! একে-অপরকে কেক খাওয়াল অঙ্কিতা-সৌম্যদীপ, আবেগে ভক্তরা

১৫ ডিসেম্বর থেকে ৭.৩০টার স্লটে আসছে তারে ধরি ধরি মনে করি। ফলে বিদায় নিল জগদ্ধাত্রী। কেক কেটে শেষ দিনের উদযাপন। এই মুহূর্তে জি বাংলার সবচেয়ে পুরনো মেগা এটি। 

Published on: Dec 11, 2025 11:44 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বৃহস্পতিবারই হয়ে গেল জি বাংলার এই মুহূর্তের সবচেয়ে পুরনো ও অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীর শ্যুট। শেষ সম্প্রচার চলতি সপ্তাহেই, রবিবার ১৪ ডিসেম্বর। কেক কেটে, একে-অপরকে কেক খাইয়ে, জড়িয়ে ধরে নিলেন অন্তিম বিদায়।

হয়ে গেল জগদ্ধাত্রীর শেষ দিনের শ্যুট। কেকে কেটেই অন্তিম বিদায়।
হয়ে গেল জগদ্ধাত্রীর শেষ দিনের শ্যুট। কেকে কেটেই অন্তিম বিদায়।

নতুন ধারাবাহিক 'বেশ করেছি প্রেম করেছি'-এর জন্য চলতি সপ্তাহ থেকে সময় বদলায় ধারাবাহিকের। সন্ধে ৭টার স্লট ছেড়ে দেয় নতুন এই মেগাকে। পাঠিয়ে দেওয়া হয় সন্ধে সাড়ে ৭টায়। শেষ হয় ফুলকি। তবে সকলকে অবাক করে, আচমকাই আসে তারে ধরি ধরি মনে করি-র প্রোমো। দেখা যায় ১৫ ডিসেম্বর থেকে ৭.৩০টার স্লটে আসছে পল্লবীর কামব্যাক মেগা। আর ফলত যাত্রা শেষ হয় জগদ্ধাত্রীর।

অফ হোয়াইট রঙের কেক, সঙ্গে গোলাপি-কমলা ফুল। আর কেকের উপরে লেখা, ‘জগদ্ধাত্রী জেগে থাকবে, সব প্রতিবাদী কন্ঠে’। দেখা গেল একে-অপরকে কেক খাইয়ে দিচ্ছে অঙ্কিতা মল্লিক, সৌম্যদীপ মুখার্জী। ২০২২ সালের ২৯ অগস্ট শুরু হয়েছিল সম্প্রচার। চলল প্রায় সাড়ে তিন বছর। এই লম্বা সময়ে কখনো অঙ্কিতা আর সৌম্যদীপের মধ্যে প্রেমের খবর এসেছে, আবার কখনো শোনা গিয়েছে দুজনের নাকি মুখ দেখাদেখি বন্ধ। তবে রটনা যাই থাক, স্ক্রিনে তার ছাপ পড়তে দেননি দুজনের কেউই।

চলতি সপ্তাহেও স্লট লিডার এই মেগা। শুধু তাই নয়, জায়গা করে নিয়েছে প্রথম দশেও। এখন দেখার, নতুন মেগা তারে ধরি ধরি মনে করি এসে টিআরপি-তে কেমন প্রভাব ফেলে।

তারে ধরি ধরি মনে করি সম্পর্কে:

প্রোমো-তে বেশ চমক রয়েছে। দেখা যায় ভক্তিরসে বিভোর নবদ্বীপের এক বনেদী বাড়ি। সকলের আদরের বৌমা পল্লবী, চরিত্রের নাম রূপমঞ্জরী। আর তাঁর স্বামীও কৃষ্ণভক্ত, নাম গোরা। এত সুন্দর একটা সংসার পাইয়ে দেওয়ার জন্য রূপমঞ্জরী ধন্যবাদ দেয় ভগবানকে। এদিকে সংসার ত্যাগ করে গোরা। স্বামীকে খুঁজতে এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ঘুরে রূপমঞ্জরী পৌঁছয় বৃন্দাবন। সেখানেই স্বামীকে দেখে সাধুর বেশে। দৌড়ে গিয়ে সামনে দাঁড়ায় সে। গোরা তাকে অবাক করে বলে ওঠে, ‘ভিক্ষাং দেহি’!

কী করবে রূপমঞ্জরী, যখন তাঁর স্বামী বেছে নেবে সন্ন্যাসের পথ। এদিকে প্রোমো-য় একঝলক একটা নাইটক্লাবে নাচতে দেখা যায় রূপমঞ্জরীকে। পরে আছে ছোট পোশাক। এখন প্রশ্ন, এই অতীতের কারণেই কি সন্ন্যাসের পথ বেছে নেয় গোরা? ধারাবাহিকে পল্লবীর নায়ক বিশ্বরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।