‘যদি প্রকৃত ভারতীয় হতেন….', সেনা নিয়ে মন্তব্যের জেরে রাহুলকে সুপ্রিম ভর্ৎসনা

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র সময় অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরের সংঘর্ষ উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, চিনা সেনারা ভারতীয় সৈন্যদের মারধর করছে। তিনি আরও বলেছিলেন, ২০০০ বর্গকিলোমিটার জমি চিনের দখলে চলে গিয়েছে। 

Published on: Aug 04, 2025 2:51 PM IST
By
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিশেষ আদালতের সমনের বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধীর আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করে, বাকস্বাধীনতার নাম করে সেনাবাহিনীকে অপমান করার অধিকার কারও নেই। বিজেপি এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেস অবশ্য দাবি করছে, এই মামলা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

‘আপনি যদি প্রকৃত ভারতীয় হতেন..' সেনা-সম্পর্কিত মন্তব্যে রাহুলকে সুপ্রিম ভর্ৎসনা (HT_PRINT)
‘আপনি যদি প্রকৃত ভারতীয় হতেন..' সেনা-সম্পর্কিত মন্তব্যে রাহুলকে সুপ্রিম ভর্ৎসনা (HT_PRINT)

চিন ও ভারতের সীমান্ত সংঘর্ষ প্রসঙ্গে সেনাবাহিনী নিয়ে মন্তব্য করায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি এজি মসিহর ডিভিশন বেঞ্চ মন্তব্য করে, ‘আপনি যদি একজন সত্যিকারের ভারতীয় হন, তাহলে আপনি এই সব বলতেন না।’

আরও পড়ুন: 'নিজস্ব কারণ রয়েছে'! ট্রাম্প মন্তব্যের সমর্থনে রাহুলের থেকে দূরত্ব বাড়ালেন শশী?

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র সময় অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরের সংঘর্ষ উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, চিনা সেনারা ভারতীয় সৈন্যদের মারধর করছে। তিনি আরও বলেছিলেন, ২০০০ বর্গকিলোমিটার জমি চিনের দখলে চলে গিয়েছে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। পরে এনিয়ে রাহুলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মানহানি মামলা দায়ের হয়। এদিন সেই মামলার শুনানিতে আদালত রাহুলের মন্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন, ‘আপনি কি সেখানে ছিলেন? আপনার কাছে কি কোনও প্রামাণ্য তথ্য আছে?’

কংগ্রেস নেতার পক্ষে বিশিষ্ট আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি যুক্তি দেন, এ ধরনের বক্তব্য বিরোধী নেতার গণতান্ত্রিক অধিকার। তখন বিচারপতিরা পাল্টা বলেন, ‘তাহলে এই ধরনের কথা আপনি সংসদে বলেন না কেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন আপনি এভাবে বলছেন?’ যদিও মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে ভুল প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে শীর্ষ আদালত মানহানির মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে আদালতের কড়া ভাষা তাঁকে রাজনৈতিকভাবে চাপের মুখে ফেলেছে।