প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! উপত্যকায় গভীর খাদে পড়ল সেনা বোঝাই গাড়ি, মৃত্যুমিছিল

উদ্ধার অভিযানের সময় ১০ জওয়ানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত জওয়ানদের উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

Published on: Jan 22, 2026 4:14 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই জম্মু ও কাশ্মীরে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার ডোডা জেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেনা বোঝাই গাড়ি উল্টে গভীর খাদে পড়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন জওয়ানের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! (সৌজন্যে টুইটার)
প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ সূত্রে খবর, ডোডা জেলায় বাদেরওয়াহ চাম্বা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। বুলেটপ্রুফ গাড়িটি সেনা জওয়ানদের নিয়ে উঁচু পোস্টের দিকে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় ডোডার বাদেরওয়াহ-চাম্বা আন্তঃরাজ্য সড়কের খানি টপের কাছে বুলেটপ্রুফ গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ১০ জন জওয়ান নিহত হন, অন্যরা গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই, সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলকে সহায়তা করতে সেখানে পৌঁছান। উদ্ধার অভিযানের সময় ১০ জওয়ানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত জওয়ানদের উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তাঁদেরকে হেলিকপ্টার করে উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যেখানে তাদের বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। এক শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, 'ডোডায় এই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় আমাদের ১০ জন সাহসী ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে ব্যথিত। আমরা সবসময় তাঁদের অসামান্য দায়িত্ব পালন ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্মরণ রাখব। শোকস্তব্ধ পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।' তিনি আরও বলেন, 'এই গভীর শোকের মুহূর্তে পুরো দেশ শোকাহত পরিবারগুলির পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। আহত ১০ জন জওয়ানকে হেলিকপ্টারে করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।' লেফটেন্যান্ট গভর্নর জানান, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটল তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে পুলিশ। গাড়িটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল কিনা, চালক ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন না, সবটাই খতিয়ে দেখা শুরু করেছে তারা। উল্লেখ্য, ডোডা জেলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল। সাম্প্রতিক সময়ে এই এলাকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বাড়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান বেড়েছে।