US Army killed by ISIS Terrorist: ২ সেনা সহ ৩ মার্কিনির প্রাণ গেল জঙ্গি হামলায়, জখম ৩, ‘কড়া জবাবের’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

হামলাটি ঘটেছে সিরিয়ায়। জানা গিয়েছে, সিরিয়ার প্রাচীণ শহর পালমিরার কাছে একটি জঙ্গি দমন অভিযান চালাচ্ছিল মার্কিন সেনারা। সেই সময় একজন আইএস জঙ্গির হামলায় প্রাণ হারান তিন মার্কিনি। এই হামলার পরপরই 'কড়া জবাব' দেওয়ার বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

Published on: Dec 14, 2025 8:06 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আইএস জঙ্গির হামলায় প্রাণ হারালেন ২ সেনাকর্মী সহ তিন মার্কিন নাগরিক। ঘটনাটি ঘটেছে সিরিয়ায়। জানা গিয়েছে, সিরিয়ার প্রাচীণ শহর পালমিরার কাছে একটি জঙ্গি দমন অভিযান চালাচ্ছিল মার্কিন সেনারা। সেই সময় একজন আইএস জঙ্গির হামলায় প্রাণ হারান তিন মার্কিনি। এই হামলার পরপরই 'কড়া জবাব' দেওয়ার বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে এই হামলাকে মার্কিন বাহিনীর পাশাপাশি সিরিয়ার ওপরেও হামলা হিসেবে বিবেচনা করছেন ট্রাম্প। তবে এরই সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়ে দেন, আমেরিকা এই হামলার জবাব দেবে। এদিকে এই হামলার পরপরই পালমিরায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এমনকী পালমিরার আকাশে মার্কিন এফ১৮ হর্নেট যুদ্ধবিমানও দেখা গিয়েছে।

আইএস জঙ্গির হামলায় প্রাণ হারালেন ২ সেনাকর্মী সহ তিন মার্কিন নাগরিক।
আইএস জঙ্গির হামলায় প্রাণ হারালেন ২ সেনাকর্মী সহ তিন মার্কিন নাগরিক।

এদিকে সিরিয়ায় এই জঙ্গি হামলা নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম। তাতে বলা হয়েছে, 'দুই মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং এক মার্কিন নাগরিক হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও তিন মার্কিন সেনা সদস্য জখম হয়েছেন একজন বন্দুকবাজ আইএস জঙ্গির হামলায়। পরবর্তীতে সেই জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে।' এদিকে শহিদ মার্কিন সেনাদের নাম তাৎক্ষণিক ভাবে প্রকাশ করা হয়নি বাহিনীর তরফ থেকে। নিহত সেনা সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের এই বিষয়ে আগে জানানো হবে। তারপর জনসমক্ষে নিহত সেই সেনাকর্মীদের নাম প্রকাশ করবে মার্কিন প্রশাসন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবার জানিয়েছেন, সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান আহমেদ আল-শারার নাকি এই হামলায় ফুঁসছেন। উল্লেখ্য, এই আল-শারার নিজে একদা ছিলেন আল কায়দা নেতা। দীর্ঘদিন তাঁর ওপর ছিল নিষেধাজ্ঞা। এই আল-শারার নিজে একসময় মার্কিন সেনাদের হত্যা করেছিল। তবে সেই আল-শারার সিরিয়ার গদিতে বসার পরই তাঁর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে রাষ্ট্রসংঘ। এমনকী ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে হোয়াইট হাউজে দেখা করেন। তবে আল-শারার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সিরিয়ায় সংখ্যালঘু শিয়া এবং দ্রুজদের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়েছে। আল-শারারের সরকার নিজেরা ইসলামি কট্টরপন্থী মতবাদে পরিচালিত। এই আবহে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ জারি আজও। আর সেখানে বলি হচ্ছে সংখ্যালঘুরা।