Doval to America's Rubio: ট্রাম্পের চাপে মাথা নত করবে না ভারত, আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ডোভাল

গত সেপ্টেম্বরে আমেরিকয় গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওকে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ভারতের এনএসএ সাফ জানিয়েছিলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর আধিকারিকদের চাপে মাথা নত করবে না ভারত।

Published on: Feb 05, 2026 7:30 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে দেখা দিয়েছিল তিক্ততা। তবে বাণিজ্য চুক্তির আবহে সেই তিক্ততা ফের কমতে শুরু করেছে। আর সেই তিক্ততা কমতে শুরু করেছিল গত সেপ্টেম্বরে ডোভালের মার্কিন সফরের পর থেকেই। এই আবহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে। তারপরই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি এবং ভারতের ওপর শুল্ক কমানোর কথা জানান ট্রাম্প। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে আমেরিকয় গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওকে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ভারতের এনএসএ সাফ জানিয়েছিলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর আধিকারিকদের চাপে মাথা নত করবে না ভারত।

আমেরিকয় গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওকে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। (PTI)
আমেরিকয় গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওকে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। (PTI)

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে ওয়াশিংটন সফরে গিয়েছিলেন ডোভাল। সেখানে তাঁর বৈঠক হয়েছিল রুবিওর সঙ্গে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কো রুবিওকে ডোভাল বার্তা দিয়েছিলেন - ভারত দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা পেছনে ফেলে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করতে চায়। তবে ডোভাল রুবিওকে পরিষ্কার করে এও বাতলেছিলেন যে ভারত মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের চাপের মুখে মাথা নত করবে না। এমনকী প্রয়োজন পড়লে ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে প্রস্তুত থাকবে ভারত। বৈঠকে ডোভাল আরও বলেন, ভারত চায় ট্রাম্প ও তাঁর উপদেষ্টারা যেন ভারতের সমালোচনা না করেন।

এর আগে চিনে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকের পরপরই ওয়াশিংটনে বৈঠক হয়েছিল রুবিও এবং ডোভালের। ওয়াশিংটনের সেই বৈঠকের পরপরই দুই দেশে উত্তেজনা প্রশমনের প্রথম লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প মোদীকে তাঁর জন্মদিনে ফোন করেছিলেন এবং দুর্দান্ত কাজের জন্য তাঁর প্রশংসা করেছিলেন। বছরের শেষের দিকে দুই নেতা আরও চারবার ফোনে কথা বলেন। সেই সময়ই ভারতের ওপর ধার্য শুল্ক কমানোর একটি চুক্তির দিকে এগিয়ে যান তাঁরা।

আর সম্প্রতি ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে তিনি মোদীর সাথে একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন। এর ফলে ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনবে আমেরিকা। এর আগে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। সেটাও বাতিল করা হয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, এই শুল্ক কমানোর বিনিময়ে ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমেরিকান জ্বালানি কিনবে। এছাড়া মার্কিন আমদানির উপরও শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনতে সম্মত হয়েছে ভারত। যদিও এই সব বিষয়ে ভারত এখনও মুখ খোলেনি। তবে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল স্পষ্ট করেছেন, ভারতের কৃষকদের স্বার্থ কোনও ভাবে খুণ্ণ করা হয়নি এই চুক্তিতে।