বারামতিতে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা যায়, বিমানটি একটি মাঠে ভেঙে পড়ে এবং বিমান থেকে ধোঁয়া উঠছে। আপাতত পওয়ারের সর্বশেষ পরিস্থিতি নির্দিষ্ট ভাবে জানা যায়নি।
ভেঙে পড়ল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অজিত পাওয়ারের। বারামতিতে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা যায়, বিমানটি একটি মাঠে ভেঙে পড়ে এবং বিমান থেকে ধোঁয়া উঠছে। জানা গিয়েছে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পাওয়ার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বারামতি পৌঁছেছিলেন। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে দাবি করা হচ্ছে, বারামতিতে আজ সকালের দিকে কুয়াশার জন্য দৃশ্যমানতা কম ছিল। সেজন্য বিমানটির জরুরি অবতরণ করানোর চেষ্টা করেছিলেন পাইলট। তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে। তারপর তাতে আগুন ধরে যায়। বিকট আওয়াজে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। সেই আওয়াজ শুনতে পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এদিকে বিমানটি ভেঙে পড়ার পরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয়রা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সেই বিমানে মোট যাত্রীর সংখ্যা ৫ বলে জানা গিয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত ভেঙে পড়া বিমানটি থেকে যাত্রীদের মৃতদেহগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। অজিত পাওয়ারের সঙ্গে তাঁর দেহরক্ষীরাও সেই বিমানে ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি মহারাষ্ট্র সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আসন্ন জেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্য প্রচার করতে বারামতি যাচ্ছিলেন অজিত পাওয়ার। বারামতি বিমানবন্দরের ম্যানেজার শিবাজি তাওড়ে জানান, জরুরি অবতরণের চেষ্টা করার সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়েছিল বিমানটি। দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটি লিয়ারজেট ৪৫ ছিল। মুম্বই থেকে সেটি চার্টার করা হয়েছিল। এদিকে কিছুদিন আগে পর্যন্ত বারামতি বিমানবন্দরের পরিচালনার দায়িত্বে ছিল বেসরকারি একটি সংস্থা। সম্প্রতি তা মহারাষ্ট্র এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, বারামতিকে পাওয়ার পরিবারের নির্বাচনী ঘাঁটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনিও এই বারামতি আসনেরই বিধায়ক। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তাঁর ভাগ্নে যুগেন্দ্র পাওয়ারকে পরাজিত করে এই আসন জিতেছিলেন। রাজ্য রাজনীতিতে একাধিক সময় কিংমেকারের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে অজিত পাওয়ারকে। এমনকী নিজের কাকা শরদ পাওয়ারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দলও ভেঙেছিলেন অজিত। বিভিন্ন সরকারে ডেপুটি সিএম পদে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। আবার মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতাও থেকেছেন।