Ajit Pawar Political Career: শরদ পাওয়ারের ছেলে হলে... CM হতে না পারলেও ৬ বার উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন অজিত
নিজের রাজনৈতিক জীবনে ৬ বার উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিরোধী দলনেতাও থেকেছেন। তবে তিনি কখনও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি।
মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অজিত পাওয়ারকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে প্রাণ বাঁচাতে যায়নি। পিটিআই জানিয়েছে যে বিমানটিতে ৫ জন লোক ছিলেন, যাদের কাউকেই বাঁচানো যায়নি। দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের ২ পিএসও এবং ২ জন ক্রু সদস্যও মারা গেছেন। উদ্ধব ঠাকরের সরকার থেকে একনাথ শিন্ডের সরকার এবং সর্বশেষে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনে ৬ বার উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিরোধী দলনেতাও থেকেছেন। তবে তিনি কখনও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি।

অজিত পাওয়ারের বিমান যে বারামতিতে বিধ্বস্ত হয়, তিনি সেখানকার বিধায়ক ছিলেন। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি এই আসন থেকে তাঁর ভাগ্নে যুগেন্দ্র পাওয়ারকে পরাজিত করে জিতেছিলেন। মহারাষ্ট্রের রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী রাজনীতিবিদ ছিলেন অজিত পাওয়ার। অজিত পাওয়ার এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি সবসময়ই ক্ষমতার করিডোরে ঘোরাফেরা করেছেন। তিনি বহুবার বহু সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন। তবে তিনি কখনও মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী না হতে পারা নিয়ে অজিত পাওয়ার একবার মন্তব্য করেছিলেন, 'আমি শরদ পাওয়ারের ছেলে হলে কি সুযোগ পেতাম না? নিশ্চিত ভাবেই পেতাম। তবে আমি তাঁর ছেলে নই। তাই আমাকে সুযোগ দেওয়া হয় না।'
১৯৫৯ সালে ২২ জুলাই জন্মগ্রহণ করেছিলেন অজিত পাওয়ার। পারিবারিক সূত্রে অল্প বয়স থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন অজিত পাওয়ার। ২৩ বছর বয়সে, অজিত পাওয়ার সমবায় চিনি কারখানার বোর্ডে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯১ সালে তিনি পুনে সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান হন এবং ১৬ বছর ধরে এই পদে বসেছিলেন। ১৯৯১ সালে বারামতি থেকে প্রথমবারের মতো সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। অজিত পাওয়ার ১৯৯৫ সালে বারামতি আসন থেকে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং তারপরে তিনি টানা এই আসনে নির্বাচনে জিতে এসেছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি এই আসন থেকে টানা সাতবারের জন্য বিধায়ক হন। তিনি ৬ বার মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন।
E-Paper











