Al Falah university Latest Update: উমর-মুজাম্মিলদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতে পারে বুলডোজার, সামনে নয়া তথ্য
প্রায় ৮০ একর এলাকা জুড়ে ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের সময় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সরকারি ও গ্রামীণ রাস্তা দখল করেছিল। এছাড়া বিনা অনুমতিতে অনেক ভবনও নির্মাণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক চিকিৎসক সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র করেছিল। সেই তথ্য প্রকাশ হতেই এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণ অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। তদন্তের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবৈধ নির্মাণ ভাঙার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক পর্যায়ে নিয়ম ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগের তদন্ত জোরদার হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৮০ একর এলাকা জুড়ে ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সরকারি ও গ্রামীণ রাস্তা দখল করেছিল। এছাড়া বিনা অনুমতিতে অনেক ভবনও নির্মাণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই আবহে ডিটিপি এনফোর্সমেন্ট, তহসিলদার ও পাটোয়ারীর পরিমাপের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবৈধ নির্মাণ ভাঙার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফরিদাবাদে স্থানীয় গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন, ১৯৯০ সালে যখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সম্প্রসারণ শুরু হয়েছিল, চ্যান্সেলর নির্বিচারে অনেক গ্রামীণ রাস্তা দখল করেছিলেন। এর জেরে কৃষকদের ক্ষেতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। প্রাথমিকভাবে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি ৩০ একর জমিতে নির্মিত হয়েছিল, তবে পরে আশেপাশের জমি কিনে ভবনগুলি প্রসারিত করা হয়েছিল এবং গ্রামীণ পথগুলিও এই আবহে দখল করা হয়েছিল। ৭৬ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১০৯-১৩ নম্বরে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিল্ডিং, ১৪ নম্বরে একটি ওয়ার্কশপ, ৯ নম্বরে একটি মর্গ এবং ২৫ নম্বরে একটি হাসপাতাল ভবন রয়েছে। গার্লস হোস্টেলটি ২৫ এবং ৫ নম্বরে একত্রিত করে নির্মিত হয়েছে, ছেলেদের হোস্টেল এবং ডাইনিং হল ২৪-২ নম্বরে অবস্থিত। এছাড়াও, ১২৩-১১ এবং ১২ নম্বরে ডাক্তারদের জন্য একটি বহুতল আবাসিক কমপ্লেক্স, ১৯-১৯ নম্বরে অ্যানাটমি বিল্ডিং এবং ১৮-২ নম্বরে মেডিক্যাল বিল্ডিং রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সব নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়েছে। ডঃ উমর ও অন্যান্য অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্তকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনেক জায়গায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছিল। তবে ডাক্তার মডিউল নিয়ে তদন্তকারী এজেন্সিগুলো পদক্ষেপ শুরু করার পরে ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেয় এবং শ্রমিকরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়।












