Al-Falah University Chairman Arrested: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ

জালিয়াতি ও অনিয়মের মামলায় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) দায়ের করা দুটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Published on: Feb 05, 2026 10:29 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জালিয়াতি ও অনিয়মের মামলায় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) দায়ের করা দুটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুধবার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর জালিয়াতির ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছিল। যার পরে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় বেশ কয়েকটি অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে ক্রাইম ব্রাঞ্চ একটি এফআইআর দায়ের করে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়।

জালিয়াতি ও অনিয়মের মামলায় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। (HT_PRINT)
জালিয়াতি ও অনিয়মের মামলায় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। (HT_PRINT)

গ্রেফতারির পরে জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে স্থানীয় আদালতে হাজির করে দিল্লি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যানকে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে এবং মামলা সম্পর্কিত আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও ইতিমধ্যেই এই মামলায় তাদের পক্ষে তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, দিল্লি বিস্ফোরণের কিছু আগে এই আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়টি সামনে এসেছিল। ফরিদাবাদে একজন কাশ্মীরি ডাক্তারকে গ্রেফতারের পরই শিরোনামে উঠে আসে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামটি। সেই চিকিৎসকের কাছ থেকে কয়েকশো কেজি বিস্ফোরক এবং অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। ফরিদাবাদ পুলিশ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযানে সেই চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ধৃত মুজাম্মিল শাকিল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিল। পরে দিল্লি বিস্ফোরণের পরে জানা যায়, বিস্ফোরণ ঘটানো ডঃ উমর মহম্মদও যুক্ত এই আল-ফালাহর সঙ্গে।

এই আবহে দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের পর থেকেই সিদ্দিকির আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়টি গোয়েন্দাদের নজরে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দিল্লি এবং ফরিদাবাদের ২৫টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালিয়ে সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করে। এই বিশ্ববিদ্যালয় ৪১৫ কোটি টাকার জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যায়। এদিকে এই সবের মাঝেই জাওয়াদের ভাই হামুদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার পথে হাঁটে ইন্দোর পুলিশ। হামুদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি এবং দাঙ্গাবাজির পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।