Ammonium Nitrate: ফরিদাবাদে ২৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ঘিরে চর্চা; মনে আছে, কয়েক মাস আগে বীর্ভূমে মিলেছিল ১৬০০০ কেজি
কয়েক মাস আগেই বীরভূম থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১৬০০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। পুলিশের নাকা চেকিংয়ের সময় একটি ট্রাকে এই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়েছিল। রামপুরহাটে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে সেই ঘটনাটি ঘটেছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসেই।
দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের আবহে জোর চর্চা শুরু হয়েছে ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া ২৯০০ কেজি অ্যামোনিয়ান নাইট্রেট নিয়ে। এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ধরা না পড়লে আরও কত বড় বিস্ফোরণ হতে পারত, তা ভেবে শিউরে উঠছেন অনেকেই। তবে কয়েক মাস আগেই বীরভূম থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১৬০০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। পুলিশের নাকা চেকিংয়ের সময় একটি ট্রাকে এই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়েছিল। রামপুরহাটে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে সেই ঘটনাটি ঘটেছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসেই। সেই ঘটনায় রামপুরহাট থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল তিনজনকে।
কয়েক মাস আগেই বীরভূম থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১৬০০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট।
সেই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নিয়ে ট্রাকটি তেলিঙ্গানা থেকে ঝাড়খণ্ডে যাচ্ছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, এই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বহন করা নিয়ে ট্রাকে থাকা তিনজন স্পষ্ট কোনও জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। এমনকী ট্রাকচালকদের কাছে বৈধ কোনও কাগজপত্রও ছিল না। এরপরই সেই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত করে ট্রাকে থাকা তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। লরিতে মোট ৩২০ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ছিল।
সেই ঘটনার একদিন পরই বীরভূম-ঝাড়খণ্ড সীমানায় সুলতানপুরে নাকা চেকিংয়ের সময় ৬০ বস্তায় ৩০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়প্ত করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনাতেও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর এই বছরেরই জানুয়ারি মাসে বীরভূমের রামপুরহাট থেকে উদধার করা হয়েছিল ২০ হাজার ডিটোনেটর ও ১৫ হাজার জিলেটিন স্টিক। রামপুরহাটের হস্তিকাদা এলাকার এক জঙ্গল থেকে সেই সব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল। এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্ট গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেই সব বিস্ফোরক উদ্ধার করেছিল জঙ্গলের ভিত এক পরিত্যক্ত ঘর থেকে। সেখানে ২২টি রোল জিলেটিন স্টিক ও ৬ বাক্স ডিটোনেটর ছিল।
উল্লেখ্য, এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট কৃষিকাজে ব্যবহার হয়। আবার নাশকতার ক্ষেত্রে আইডি তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয়। যেমন ফরিদাবাদে মুজাম্মিল, আদিল, শাহিনরা এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত করেছিল নাশকতার জন্য। দিল্লিতে বিস্ফোরণের আবহে তা নিয়ে দেশ জুড়ে চর্চা চলছে বর্তমানে। জানা যাচ্ছে, ৬ ডিসেম্বর একাধিক বিস্ফোরণের ছক ছিল এই ডাক্তার মডিউলের। লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণে মাত্র ২০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে। এই আবহে অনেকেই আতঙ্কিত হচ্ছেন, ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধারের বিষয়টিতে।
News/News/Ammonium Nitrate: ফরিদাবাদে ২৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ঘিরে চর্চা; মনে আছে, কয়েক মাস আগে বীর্ভূমে মিলেছিল ১৬০০০ কেজি