Anti-India Rally in Dhaka: বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকি ভারত! ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে মিছিলের ডাক ঢাকায়
ভারতই নাকি এখন 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি'। এমনই অভিযোগ এনে ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে মিছিলের ডাক দিয়েছে জুলাই ঐক্য সংগঠন।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি দখল থেকে মুক্তি পেয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ৯ মাসের সেই মুক্তিযুদ্ধে ভারত সাহায্য করেছিল মুক্তিযোদ্ধাদের। এমনকী ডিসেম্বরে ভারত সরাসরি যুদ্ধে প্রবেশের পরই কয়েকদিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান। সেই ভারতই নাকি এখন 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি'। এমনই অভিযোগ এনে ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে মিছিলের ডাক দিয়েছে জুলাই ঐক্য সংগঠন। এরই সঙ্গে প্রাক্তন সেনাকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সদস্য, মাদ্রাসা এবং কলেজ পড়ুয়ারা নাকি এই মিছিলে যোগ দেবেন।

এই প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও জুলাই ঐক্যের সংগঠক এবি জুবায়ের বলেন, 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় হুমকি ভারতের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন। বাংলাদেশের জুলাই-অগস্টের যেসব খুনি ভারতে পালিয়ে আছে, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে বাংলাদেশের জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে জুলাই ঐক্য ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে মার্চ করবে এবং প্রতিবাদ জানাবে। ভারতীয় মদদপুষ্ট মিডিয়া এবং রাজনৈতিক দল যেন বাংলাদেশে ফাংশন করতে না পারে তার বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে আসব।' আজ ভারতীয় সময় দুপুর সাড়ে ৩টের সময় ঢাকার রামপুরা ব্রিজ থেকে এই কর্মসূচির সূচনা হবে।
উল্লেখ্য, যে ওসমান হাদিকে গুলি করায় নতুন করে এই সব ভারত বিদ্বেষ প্রকাশ পাচ্ছে, সেই ওসমান নিজে চরম ভারত বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই আবহে কয়েকদিন আগে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে দাঁড়িয়ে এক জনসভায় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) নেতা হাশাত আবদুল্লাহ বলেছিলেন, 'নয়াদিল্লি যদি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তবে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করা এবং এই অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গিদের সমর্থন করা।'
এদিকে শুধু হাসনাত নন, এসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও ভারতকে নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর কথায়, 'ভারতের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বও বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের সাবধান থাকতে হবে।' এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, 'ভারত যদি মনে করে হাসিনা ও ওসমান হাদির ঘাতকদের আশ্রয় দিয়ে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, তা কোনও দিন হবে না।' ভারতের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে ইউনুস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, 'যদি দেশের লড়াই দেশের বাইরে যায়, তাহলে মুক্তির লড়াইও এই দেশের বাইরে যাবে।'












