Ashwini Vaishnaw met Scott Bessent: 'মোদীর ফোন' নিয়ে একেক রকম দাবির মাঝে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠের সঙ্গে সভায় ভারতের মন্ত্রী

অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, 'যখন উৎপাদন শিল্পের পরিসর বাড়তে থাকে, বিশেষ করে ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের উৎপাদন, তাহলে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের জন্য ক্রিটিকাল মিনারেলের সাপ্লাই চেইন খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।'

Published on: Jan 13, 2026 1:25 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নরেন্দ্র মোদী নাকি ফোন 'প্লিজ স্যার' বলে দেখা করতে চেয়েছিলেন, এমনই দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আবার তাঁরই ক্যাবিনেটের বাণিজ্য সচিব দাবি করেন, মোদী ফোন করেননি বলেই নাকি দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। এই নিয়ে বিতর্কের মাঝেই আমেরিকায় রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টের নেতৃত্বে সভায় অংশ নিলেন ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকের পরে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, 'যখন উৎপাদন শিল্পের পরিসর বাড়তে থাকে, বিশেষ করে ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের উৎপাদন, তাহলে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের জন্য ক্রিটিকাল মিনারেলের সাপ্লাই চেইন খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।'

আমেরিকায় রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টের নেতৃত্বে সভায় অংশ নিলেন ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
আমেরিকায় রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টের নেতৃত্বে সভায় অংশ নিলেন ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, 'এই সভায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। তারা তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। সরবরাহ শৃঙ্খলকে স্থিতিশীল করার জন্য তারা কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন, তা নিয়ে কথা বলেছেন তাঁরা। বিশেষ করে খনিজ আকরিক পরিশোধন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা। রেয়ার আর্থ, স্থায়ী চুম্বকের সরবরাহ কীভাবে সুরক্ষিত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। নতুন প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রযুক্তি ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়।'

এদিকে শুল্ক ইস্যুতে ভারত-মার্কিন দ্বন্দ্বের আবহে ওয়াশিংটনের এই বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। এর আগে স্কট বেসেন্ট নিজেও ভারতকে একাধিকবার আক্রমণ শানিয়েছিলেন। ট্রাম্পের সুরে সুর মেলাতে গিয়ে ভারতকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি করেছিলেন তিনি। এহেন স্কট বেসেন্ট এবার ভারতীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন। যা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ট্রাম্প যাই বলুন না কেন, প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে দুই দেশের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা চলছে। এদিকে ভারতও কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে আমেরিকার সঙ্গে এই সম্পর্কের বিষয়টি।

কয়েকদিন আগেই ট্রাম্প বলেছিলেন, মোদীর নাকি উচিত ছিল তাঁকে খুশি করা। গত ৪ জানুয়ারি ভারতের ওপর আরও শুল্ক বৃদ্ধির হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যে 'জ্বালা ধরেছে' তাঁর মনে। এর আগে ট্রাম্প নিজে নিজেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, ভারত নাকি রাশিয়ার থেকে তেল কিনবে না। তবে তাঁর সেই ভিত্তিহীন ঘোষণা কার্যকর হয়নি। ভারত এখনও রাশিয়ার সাথে ব্যবস্থা করছে। এই আবহে এবার ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করার কথা বলন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী মোদী খুব ভালো মানুষ। তিনি জানতেন আমি খুশি নই। আমাকে খুশি করা গুরুত্বপূর্ণ। তারা আমাদের সঙ্গে বাণিজ্য করে, এবং আমরা খুব দ্রুত তাদের উপর শুল্ক বাড়াতে পারি।' সেই কথা বলার একদিন পরই ট্রাম্প আবার বলেন, 'মোদী তাঁর সঙ্গে খুশি নন।' এর পাশাপাশি ফের শুল্ক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ট্রাম্প দাবি করলেন, ভারতের মতো দেশ শুল্ক দিচ্ছে বলে আমেরিকা ধনী হয়ে যাচ্ছে।