Astrology Tips: চরম শত্রুও ছুঁতে পারে না! অবলা জীবকে খাবার খাওয়ালে জ্যোতিষমতে আর কী কী উপকার?
Astrology Animal Feeding Benefits: কুকুর, বিড়াল, গরুকে খাবার খাওয়ালে জ্যোতিষমতে নানা উপকার পাওয়া যায়। তবে একেক প্রাণীর ক্ষেত্রে একেকরকম উপকার মেলে।
অবলা পশুপাখিকে খাবার খাওয়ানোর মধ্যে দিয়ে মানবিকতার অন্য এক দিক উন্মোচিত হয়। জ্যোতিষ মতে, পশুপাখিকে নিয়মিত খাবার খাওয়ালে জীবনে উন্নতির পথে কোনও বাধা আসে না। পাশাপাশি কোন পশুকে খাবার খাওয়াচ্ছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। একেকটি পশুর নিরিখে জীবনে একেকরকম উপকারও পাওয়া যায়। কিছু পশু যেমন উন্নতির পথে সহায়ক হয়, তেমনই কিছু পশু বা পাখিকে খাবার খাওয়ালে পরিবার বা সংসার থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর হয়। আবার কোনও কোনও পশু বা পাখির মুখে খাবার তুলে দিতে পারলে শত্রুনাশ করাও সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন - অন্যের বাড়ি থেকে আনা এই জিনিস সংসারে দারিদ্র বয়ে আনে, অশান্তি ডেকে আনে পরিবারে
কোন প্রাণীকে খাবার খাওয়ালে কী প্রাপ্তি?
কুকুর - কুকুর এমনিতেই প্রভুভক্ত প্রাণী। প্রভুকে রক্ষা করার সব দায়িত্বে কাঁধে নেয় এই প্রাণী। কুকুরকে খাবার খাওয়ালে তাই শত্রুর হাত থেকে রক্ষা মেলে। শত্রুনাশ হয় দ্রুত। যে কোনও রঙের কুকুরকে খাবার খাওয়ালেই ভালো ফল পাওয়া যায়।
গরু - অনেকের বাড়িতেই গৃহপালিত পশু হিসেবে গরু থাকে। গরু খাবার খাওয়া শাস্ত্রমতে অত্যন্ত পূণ্য কাজ বলে মনে করা হয়। যেকোনও শুভ কাজে ভালো ফল পেতে হলে গরুকে খাবার খাওয়ানোর নিদান দেওয়া হয়ে থাকে। এই প্রাণী আমাদের কর্মভাগ্যকে ইতিবাচক করে তোলে।
পায়রা - পায়রা ইতিবাচক শক্তি ও সৌভাগ্যের প্রতীক। পাশাপাশি ধনসম্পদের জোয়ার বয়ে আনে এই বিশেষ পাখিটি। যেকোনও রঙের পায়রাকেই খাবার খাওয়ানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বাড়িতে পোষা পায়রাকে খাবার খাওয়ালে মানসিক শান্তি বজায় থাকে। পাশাপাশি সংসার থেকে অশান্তিও দূর হয়।
আরও পড়ুন - সম্পদে আনে জোয়ার, সন্তানের আশাও... ফেং শুই গাভী মূর্তি কীভাবে রাখবেন ঘরে?
বাঁদর - বাঁদর মানুষের সঙ্গে সখ্যস্থাপনে তৎপর একটি প্রাণী। বাঁদরকে অনেকেই খাবার খাইয়ে থাকেন। কিন্তু এর শুভ ফল সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, বাঁদরকে খাবার খাওয়ালে যে কোনও দুর্ঘটনার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি সংসারে অযাচিত বিপদ প্রবেশ করতে পারে না।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।












