Babri Masjid Memorial Update: এবার বাবরি মসজিদ স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হবে, বেলাঙায় শিলান্যাসের পর নয়া ঘোষণা

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এবার বৃহত্তর হায়দরাবাদে বাবরি মসজিদ স্মৃতিসৌধ নির্মাণের ঘোষণা করা হয়েছে। তেহরিক মুসলিম শাব্বান সংগঠন অযোধ্যায় মসজিদ ধ্বংসের ৩৩তম বার্ষিকীতে এই ঘোষণা করেছে।

Published on: Dec 07, 2025 1:02 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এবার বৃহত্তর হায়দরাবাদে বাবরি মসজিদ স্মৃতিসৌধ নির্মাণের ঘোষণা করা হয়েছে। তেহরিক মুসলিম শাব্বান সংগঠন অযোধ্যায় মসজিদ ধ্বংসের ৩৩তম বার্ষিকীতে এই ঘোষণা করেছে। সংগঠনের সভাপতি মুশতাক মালিক বলেন, মসজিদের স্মৃতিসৌধ কবে নির্মাণ করা হবে তা শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। তাঁর কথায়, 'বাবরের নাম নিয়ে কারও মাথা ঘামাতে হবে না। তিনি বলেন, এই ইস্যু শুধুই একটি রাজনৈতিক চালাকি।'

এবার বৃহত্তর হায়দরাবাদে বাবরি মসজিদ স্মৃতিসৌধ নির্মাণের ঘোষণা করা হয়েছে।
এবার বৃহত্তর হায়দরাবাদে বাবরি মসজিদ স্মৃতিসৌধ নির্মাণের ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই একই তারিখে অযোধ্যার বাবরি মসজিদটি কারসেবকরা ভেঙে ফেলেছিলেন ১৯৯২ সালে। এদিকে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়। বাংলা সহ দেশের বহু জায়গা থেকে লোকজন আসে। সৌদি থেকে ধর্মগুরু আসে। আশেপাশের এলাকা থেকে অনেকেই মাথায় ইট নিয়ে হাজির হয় অনুষ্ঠানে। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের তরফে বাবরি মসজিদ তৈরির ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি মাথা নোয়াবেন না। প্রয়োজনে শহিদ হয়ে যাবেন। কিন্তু বাবরি মসজিদ তৈরি করেই ছাড়বেন বলে দাবি করেন হুমায়ুন।

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা বিধায়ক হুমায়ুন কবির এর আগে বলেন যে তিনি কোনও বেআইনি কাজ করেননি। তাঁর বক্তব্য, এ দেশে যদি মন্দির ও গির্জা নির্মাণের স্বাধীনতা থাকে, তাহলে মসজিদ নির্মাণের স্বাধীনতা আছে।' তিনি দাবি করেছেন যে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ৬০ বছর পরে লেখা তুলসীদাসের রামচরিতমানসেও রাম মন্দিরের কোনও উল্লেখ নেই। তিনি বলেছিলেন যে রামচরিতমানসে মন্দির ভাঙার কোনও উল্লেখ নেই। তিনি বলেন, আকবরের আক্রমণে হবন পূজাও করা হয়েছিল। তুলসীদার ও আকবরের মধ্যে সংলাপও হয়েছিল। মান সিং ছিলেন আকবরের সেনাপ্রধান। তবে বাবরি মসজিদ ইস্যুটি দেশের বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের অবসান ঘটিয়েছে।

এদিকে মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হুমায়ুন কবিরকে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। হুমায়ুন বলেন, 'সুপ্রিম কোর্টও স্বীকার করেছে যে হিন্দুরা মসজিদটি ভেঙে দিয়েছে তবে হিন্দুদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে সেখানে মন্দির নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে সাগরদিঘিতে রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে। একইভাবে সংবিধানও আমাদের মসজিদ নির্মাণের অধিকার দিয়েছে।' হুমায়ুন কবির দবি করেন, এই বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য ৩০০ কোটি টাকা লাগবে।