Bangladesh Advisor on Cricket: ‘যখন পাকিস্তান খেলতে যেতে চায়না ভারতে, তখন ICC মেনে নেয়’, গোঁসা ইউনুসের উপদেষ্টার
বাংলাদেশের টি২০ বিশ্বকাপ খেলা ঘিরে ধোঁয়াশার মাঝেই সেদেশের উপদেষ্টা ফারুকি কী বলছেন?
টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে চলেছে ৭ ফেব্রুয়ারি। আর তার আগে, আজ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬-এ এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের এই বিশ্বকাপে ক্রিকেট খেলা নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত। আপাতত বাংলাদেশের আর্জি, বিসিবির তরফের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবির বিষয়টি যেন আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজোল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানো হয়। এদিকে, আইসিসি আগে জানিয়েছিল, ভারতে যদি বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপ খেলতে না চায় (আগের সূচির মতো) তাহলে, বিকল্প দলকে আইসিসি ডেকে নেবে বাংলাদেশের জায়গায়। এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে এবার মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ফারুকি।

বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুরকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ফুঁসে উঠে, আইসিসিকে জানায়, তারা নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতে খেলতে আসবে না টি২০ বিশ্বকাপ। তবে এই বিশ্বকাপ তাঁরা শ্রীলঙ্কার মাটিতে খেলতে চেয়ে আইসিসিকে আর্জি জানায়। সেই থেকে শুরু হয়েছে দীর্ঘ পর্ব। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মুখ খুলেছেন। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন,' যখন ভারত পাকিস্তানে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন আইসিসি তা মেনে নেয়। যখন পাকিস্তান ভারতে খেলতে চায় না, তখন আইসিসি তা মেনে নেয়। যখন বাংলাদেশ প্রকৃত নিরাপত্তার কারণে একই অনুরোধ করেছিল, তখন আইসিসি তার বিপরীত কাজ করেছে।' ফলত, আইসিসিক ওপর তাঁর ক্ষোভ শুধু ভারতকে ঘিরে নয়, পাকিস্তানকে ঘিরেও রয়েছে। এই পাকিস্তানই কিছুদিন আগে, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে একটি চিঠি দিয়েছিল বলে বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করে। এদিকে, ফারুকি তাঁর পোস্টে আরও লিখছেন। আইসিসির ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে ফারুকি লেখেন,' আমরা ভারত থেকে খুবই বিরক্তিকর খবর পাচ্ছি, যেখানে বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতীয়দের পিটিয়ে হত্যা করা চলছে।' তাঁর আরও বার্তা,'যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে চলমান বাংলাদেশ-বিরোধী ঘৃণামূলক প্রচারের সাথে এই তথ্যগুলো যোগ করেন, যার ফলে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে আপনাকে স্বীকার করতে হবে যে ভারতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা হুমকির ব্যাপারটি বাস্তব।' ফারুকি বলছেন,'আইসিসি যদি সত্যিই নিজেকে সব সদস্যদেশের প্রতি ন্যায্য ও নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাহলে বাংলাদেশের উত্থাপিত নিরাপত্তা উদ্বেগকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত এবং ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়া প্রয়োজন।'
আপাতত এই গোটা পর্বে আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে কী জানাচ্ছে, তার দিকে তাকিয়ে ক্রিকেট ভক্ত থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলি।
বাংলাদেশ
E-Paper











