বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, নাসির পাটোয়ারিকে। এরপরে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইঁয়া বলেন, ‘আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কিনা পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে।’
বাংলাদেশের তথাকথিত বিপ্লবীদের দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে এই দুই নেতাকে। আর এতেই এবার কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে এনসিপি। হাসিনা বিরোধী এই 'পোলাপানদের' দাবি, বিধি বহির্ভূতভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে নাহিদ এবং পাটওয়ারিকে।
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, নাসির পাটোয়ারিকে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও হতে চলেছে। সেই গণভোটের প্রচারেই বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে নাহিদের বিরুদ্ধে। গণভোটে 'হ্যাঁ ভোটের' প্রচারে এনসিপি নেতারা ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় বিলবোর্ড বসিয়েছেন। তাতেই বিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের। তবে তা মানতে নারাজ এনসিপি। অবশ্য নাহিদ এবং পাটওয়ারিকে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে সশরীরে রিটার্নিং অফিসারের সামনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সময় লিখিত জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে।
পরে এনসিপির মুখপাত্র তথা দলের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইঁয়া বলেন, 'আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কিনা পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে। নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে আত্মবিশ্বাস অর্জনের কথা ছিল, নির্বাচন কমিশন তা হারিয়েছে। আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে না।' বিএনপির অন্তত ২০ জন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাদের মনোনয়ন বাতিল না করায় নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগেছে এনসিপি। এদিকে নাহিদের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী এমএ কাইয়ুমেরও দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। তা নিয়েও সরব এনসিপি।