Bangladesh Latest Update: ইউনুসের ‘সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের’ বিরুদ্ধে স্লোগান উঠল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
যে হাসিনার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বেরিয়েছিল, সেখানেই ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান উঠল বলে জানা গিয়েছে।
বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে বিক্ষোভের আগুন জ্বলতে শুরু করল। সরকারের এক সিদ্ধান্তের জেরে এই নায় ক্ষোভ। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার মতো বিষয়ের জন্য শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছেন তরুণরা। হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশসহ ইসলামপন্থি সংগঠনগুলোর চাপের জেরেই সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছিল। যে হাসিনার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বেরিয়েছিল, সেখানেই ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান উঠল বলে জানা গিয়েছে।

সঙ্গীত এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে নিয়োগ ইসলামিক নয় বলে দাবি করে কট্টরপন্থীরা। এই আবহে ইসলামপন্থীরা আন্দোলন শুরু করে। দাবি করে, সঙ্গীত এবং শরীর শিক্ষার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। সেই দাবি মানা না হলে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির হুমকিও দিয়েছিল সংগঠনগুলি। এরপর শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। আর এখন সমালোচকরা ইউনূস প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে 'সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ' বলে অভিহিত করেছেন। এই অপসারিত পদগুলো পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন অনেরেই।
এর আগে সরকার এক নিয়োগ বিজ্ঞাপনে ধর্মীয়, সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার জন্য চারটি সহকারী শিক্ষক পদ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সঙ্গীত এবং শারীরিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি হজম করতে পারেনি কট্টরপন্থীরা। এরপরে চাপে পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব নিয়ম সংশোধন করে এবং নীরবে সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার পদগুলো অপসারণ করে। এই আবহে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুই প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। একই সঙ্গে সরকারের এসব পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।












