Bangladesh Osman Hadi Shot Update: বাংলাদেশে 'জুলাই বিপ্লবী' ওসমান হাদিকে গুলি করা পালিয়েছেন ভারতে? কী বলল পুলিশ?

বাংলাদেশি সাংবাদিক দাবি করে, বর্তমানে নাকি সেই হামলাকারী অসমের গুয়াহাটি শহরে আছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামি লিগের নেতা জাহাঙ্গির কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী মহম্মদ মাসুদুর রহমান বিপ্লব নাকি কায়সারদের সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Published on: Dec 14, 2025 1:06 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ওসমান হাদিকে গুলি করা কায়সার ভারতে পালিয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। সেই সাংবাদিক দাবি করে, বর্তমানে নাকি সেই হামলাকারী অসমের গুয়াহাটি শহরে আছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামি লিগের নেতা জাহাঙ্গির কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী মহম্মদ মাসুদুর রহমান বিপ্লব নাকি কায়সারদের সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। যদিও ঢাকা পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওসমান হাদির ওপর হামলা চালানো ব্যক্তি ভারতে গিয়েছে বলে কোনও নিশ্চিত খবর তাদের কাছে নেই।

বাংলাদেশি সাংবাদিক দাবি করে, বর্তমানে ওসমান হাদির হামলাকারী অসমের গুয়াহাটি শহরে আছে।
বাংলাদেশি সাংবাদিক দাবি করে, বর্তমানে ওসমান হাদির হামলাকারী অসমের গুয়াহাটি শহরে আছে।

দাবি করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল নাকি আওয়ামি লিগ ঘনিষ্ঠ। এর আগে ২০১৯ সালের ছাত্র লিগ কমিটিতে তিনি ছিলেন। এদিকে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয়কারী দলে ছিলেন এই ফয়সাল। এহেন ফয়সালকে ধরিয়ে দিতে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। হাদিকে গুলি করা ফয়সাল যাতে সীমান্ত পার করে অন্য দেশে পালাতে না পারে, তার জন্যে সীমান্তে কড়া নদরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা পুলিশ জানাচ্ছে, ফয়সাল করিম নাকি বারবার নিজের অবস্থান এবং সিম কার্ড পরিবর্তন করছেন। তাই তাঁর নির্দিষ্ট অবস্থান নির্ধারণ করতে পারছেন না গোয়েন্দারা। ফয়সাল করিমকে ধরতে ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পুলিশ এখনও তাঁকে ধরতে ব্যর্থ। এদিকে যে বাইকে করে এসে হাদির ওপর ফয়সাল গুলি চালিয়েছিলেন বলে অভিযোগ, সেই বাইকের চালকের বিরুদ্ধেও মামলা করা হবে। তবে বাইকচালককে এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। সব মিলিয়ে এই মামলায় পুলিশের নজরে ৩-৪ জন সন্দেহভাজন আছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এই হামলার ঘটনায় ভারতের 'র'-এর দিকে আঙুল তুলেছেন হাদির বোন মাহফুজা। এদিকে এনসিপি নেতা সারজিস আলমও ইঙ্গিত দেন, ভারত বিরোধী হওয়াতেই নাকি হামলা হয়েছে হাদির বিরুদ্ধে। এদিকে ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম আবার দাবি করেন, 'বিদেশি শক্তি সাময়িকভাবে ইঞ্জিন বিকল করার চেষ্টা করবে।' অবশ্য, শফিকুলের পোস্টে 'বিদেশি শক্তি' বলতে কোন দেশকে বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। এরই মাঝে দাবি করা হল, হাদির হামলাকারী ভারতে পালিয়ে এসেছে।