US Bangladesh Relation: আমেরিকার সঙ্গে দরাদরি! মার্কিন শুল্ক-চাপ সামলাতে ইউনুসের ঢাকার বড় আর্জি কাকে?

ওয়াশিংটনে খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের।

Published on: Jan 09, 2026 6:28 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সদ্য আমেরিকা বাংলাদেশের বাসিন্দাদের জন্য ভিসা বন্ডের বন্দোবস্ত করেছে। আর তা কার্যত চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ঢাকার কপালে। বৃহস্পতিবারই বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বৃহস্পতিবারই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এদিকে বৃহস্পতিবারই ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। সেই বৈঠকে গ্রিয়ারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন খলিলুর।

আমেরিকার সঙ্গে দরাদরি! মার্কিন শুল্ক-চাপ সামলাতে ইউনুসের ঢাকার বড় আর্জি কাকে?
আমেরিকার সঙ্গে দরাদরি! মার্কিন শুল্ক-চাপ সামলাতে ইউনুসের ঢাকার বড় আর্জি কাকে?

শুক্রবার, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংর তরফে খলিলুর ও গ্রিয়ারের বৈঠক সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর অগ্রগতির বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। খলিলুর রহমান এক্ষেত্রে বলেন,পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য হারে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। চুক্তির বহু দিক কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এরপরই, ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের কাছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার এক আর্জি যায়। আমেরিকা, বাংলাদেশ চুক্তি কার্যকারিতার প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বর্তমানে কার্যকর থাকা বাংলাদেশের ওপর ২০ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন, বলে জানা যাচ্ছে।

এছাড়াও যেসব পোশাকে মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ওপর থেকে মার্কিন শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়েও খলিলুর রহমান এক প্রস্তাব দেন গ্রিয়ারকে। সেটিও গ্রিয়ার বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশের ওপর মার্কিন ভিসা বন্ডের ইস্যুতে বাংলাদেশিদের ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করার ব্যাপারে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে উদ্যোগ নিতেও আহ্বান জানান খলিলুর। এছাড়াও বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি (ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স কর্পোরেশন) তহবিল প্রাপ্তির জন্যও মার্কিনি এই প্রতিনিধিকে অনুরোধ করেন খলিলুর।এছাড়াও খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন বিদেশ দফতরের অনেকেরই বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ডের জন্য যে ৩৮ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে আমেরিকা, তার মধ্যে বাংলাদেশের নাম উঠে আসে। ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন,' এটা আমার কাছে খুব অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। অবশ্যই দুঃখজনক। অবশ্যই কষ্টকর আমাদের জন্য। এটা অস্বাভাবিক না।'