Bangladeshi Advisor on India: IPL না দেখলেও বাংলাদেশিরা খাবে ভারতীয় চাল, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বড় দাবি ঢাকার

বাংলাদেশ সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাফ কথায় জানালেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপড়েনের কারণে দেশের অর্থ-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না।

Published on: Jan 06, 2026 2:44 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মুস্তাফিজুর রহমান আইপিএল থেকে বাদ পড়ায় অপমানিত বাংলাদেশ। তাই সেখানে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ বিগত কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভারতের থেকে ১ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরেই ইউনুসের সরকার দাবি করেছে, এই বছর বাংলাদেশের বাজারে চালের দাম কমবে না। আর এবার সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাফ কথায় জানালেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপড়েনের কারণে দেশের অর্থ-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না। আদতে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব অর্থনীতিতে পড়লে যে বাংলাদেশেরই নাজেহাল অবস্থা হবে, তা তারা খুব ভালো করেই জানে। তাই বয়কটের কথা বললেও বারবার ভারতীয় চাল থেকে পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হয় তারা।

দুই দফায় ভারতের থেকে ১ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইউনুস সরকার।
দুই দফায় ভারতের থেকে ১ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইউনুস সরকার।

এদিকে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে নিয়ে যেটি ঘটেছে সেটি দুঃখজনক। এমন বিষয়ের শুরুটা কিন্তু আমরা করিনি। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপড়েনের কোনও প্রভাব দেশের অর্থ-বাণিজ্যে পড়বে না। তবে দুই দেশ বসেই বিষয়টির মীমাংসা করতে হবে।' দেশের ঘরোয়া বাজারে পেঁয়াজের অগ্নিমূল্যে জল ঢালতে ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনেছিল বাংলাদেশ। তারপর আবার দুই দফায় ভারতের থেকে ১ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইউনুস সরকার। এই সব সিদ্ধান্ত সালেহউদ্দিনের নেতৃত্বেই নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিনে বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতার সুর চড়ছে বাংলাদেশে। এদিকে হাদি প্রেমীরা ইউনুস সরকারকে হুমকি দিয়েছে যাতে ভারতীয়দের ওয়ার্ক পার্মিট না দেওয়া হয়। রব উঠেছে ভারতীয় পণ্য বয়কট করার। এরই মাঝে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। এতে আরও খাপ্পা হয় বাংলাদেশিরা। ভারত বয়কটের ডাক আরও দৃঢ় হয়। তবে বাস্তবে ভারত ছাড়া যে বাংলাদেশের চলবে না, তা ক্রমেই আরও স্পষ্ট হচ্ছে। এর আগে ভারত থেকে ৪৩ টাকা ৫১ পয়সা প্রতি কেজি দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইউনুস সরকার। দ্বিতীয় দফায় ৪৪ টাকা ১ পয়সা দরে ভারত থেকে নন বাসমতি সেদ্ধ চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনুস সরকার। এর আগে সম্প্রতি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ নিজেদের বাজারে খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে সেই ভারতের দিকেই তাকিয়ে থাকে এখনও।