Bangladesh Latest Update: মহড়া শুরু বাংলাদেশি সেনার! হাইভোল্টেজ ভোটে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের সম্ভাবনা? ঢাকা যা বলল
আসছে বাংলাদেশের ভোট। কী বলছে সেদেশের সেনা বাহিনী?
ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত হতে চলেছে বাংলাদেশের হাইভোল্টেজ নির্বাচন। এই সাধারণ নির্বাচনে এবার নেই বাংলাদেশের বিগত সরকারের দল আওয়ামি লিগ। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট শেখ হাসিনা সরকার অভ্যুত্থানের হাত ধরে গদিচ্যুত হওয়ার পর ২০২৬ সালে এই প্রথম ভোট সম্পন্ন হতে চলেছে বাংলাদেশে। এরই মাঝে সেদেশের সেনা, ভোট ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

মেঘালয়ের কাছে দুর্গম এলাকায় মহড়া শুরু!
বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় বাংলাদেশের সেনা নেমেছে মহড়ায়। এলাকার দুর্গম চারাঞ্চল অঞ্চলে চলেছে বাংলাদেশের সেনার মহড়া। নয়ারহাট ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নদীবেষ্টিত খেরুয়ারচর এলাকায় হেলিকপ্টারযোগে এসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আকাশ পথে এ মহড়া পরিচালনা করে। উল্লেখ্য, এই কুড়িগ্রাম এলাকা ভারতের উত্তরপূর্বের মেঘালয়ের খুবই কাছের জায়গা। এমনই এক জায়গায় বাংলাদেশের সেনা বাহিনীর তৎপরতা দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ভোটকে ঘিরে এই বাংলাদেশের সেনা বাহিনীর এই পদক্ষেপ দেখা গিয়েছে। হাইভোল্টেজ ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে আকাশ পথে বিশেষ মহড়া পরিচালনা করে চিলমারী আর্মি ক্যাম্প।
বাংলাদেশের সেনাসদরের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:-
এদিকে, ভোট ঘিরে বাংলাদেশের সেনা সদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর এদিন, জানান সেনার অবস্থান কী হতে চলেছে, তার বিষয়ে। তিনি সাফ জানান, নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করতে পারে। তবে আইনের নিয়মেরর মধ্যে থেকেই বাংলাদেশের সেনা তা করতে চলেছে। পরিস্থিতির প্রয়োজনে যদি বলপ্রয়োগ করতে হয়, তাহলে নির্ধারিত ‘রুলস অব এনগেজমেন্ট’ প্রয়োগ করে তা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, বিজিবি বলেছে তারা কোনো অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করবে না। তবে বাংলাদেশের সেনা সাফ বলছে,'যদি সত্যি সত্যি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয় তাহলে রুলস অব এনগেজমেন্টে যে ক্রমান্বয়ে বল প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধির একটা প্রক্রিয়া আছে, সেটা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
এদিকে, বাংলাদেশের ভোটের আগে বহু ক্ষেত্রে ‘মব সন্ত্রাস’ দেখা গিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, যদি মব সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সেনা কী পদক্ষেপ নেবে? বাংলাদেশের সেনার তরফে বলা হয়েছে, ‘ আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে, মবের ইনসিডেন্ট আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন এবং সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় তা করতে বদ্ধপরিকর।Em’
E-Paper











