Bangladeshi Asif Mahumd Update: 'অনেকেই হিটলিস্টে', আতঙ্কিত ইউনুস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা?
ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি আসিফ মাহমুদ বলেন, 'জুলাইয়ের পরাজিত শক্তি হাদিকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে মেধাহীন করতে চাচ্ছে। এই ধরনের ষড়যন্ত্রে আরও অনেকেই হিট লিস্টে রয়েছেন।'
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় কার্যত আতঙ্কিত বাংলাদেশের বহু 'বিপ্লবী নেতা'। তাঁদেরই অন্যতম হলেন ইউনুস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি তিনি বলেন, 'জুলাইয়ের পরাজিত শক্তি হাদিকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে মেধাহীন করতে চাচ্ছে। এই ধরনের ষড়যন্ত্রে আরও অনেকেই হিট লিস্টে রয়েছেন।'

ওসমান হাদি আরও বলেন, '১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করেছিল। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। একাত্তরে যেমন হানাদার বাহিনী পরাজিত হয়েছিল, তেমনি এবারও দেশবিরোধী ও ফ্যাসিবাদী শক্তি পরাজিত হবে। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের অপশক্তিকে যেভাবে পরাজিত করা হয়েছিলে, আজও কেউ সফল হতে পারবে না।' উল্লেখ্য, আজ বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের অনেককেই পাকিস্তান এবং রাজাকাররা নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছিল।
এদিকে আসিফ ছাড়াও 'আরও অনেকের হিটলিস্টে' থাকা নিয়ে বড় দাবি করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, 'অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ওসমান হাদির ওপর এই আক্রমণ করা হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকটি হিট টিমের একইরকম ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।' ওসমান হাদির হামলাকারী ভারতে পালিয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেন এই সাংবাদিক। এছাড়া তাঁর আরও অভিযোগ, ভারতে আওয়ামি লিগের নেতা সাহায্য করছে বন্দুকবাজ কায়সারকে।
এদিকে ওসমান হাদির ওপর প্রাণঘাতী হামলার পর থেকে তা নিয়ে জামাতের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিল বিএনপি। যা নিয়ে পালটা ক্ষেপেছে জামাত। এই আবহে জামাত, বিএনপি, এনসিপিকে নিয়ে বৈঠক করেন ইউনুস। এই দলগুলিকে একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে বারণ করেন তিনি। সেই বৈঠকে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, দলগুলোর টানাপোড়েনে আমরা জুলাই বিপ্লবকে শেষ করে দিচ্ছি। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে। যদিও সেই বৈঠকের বৈঠকের পরও একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগা অব্যাহত রেখেছে দলগুলি।












