Bangladeshi Advisor on India: ইউনুস জমানায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে চিড়, কী বললেন বিদায়ী বিদেশ উপদেষ্টা?

তৌহিদ হোসেন আশা ব্যক্ত করেন, নয়া যে সরকার নির্বাচনের পর গঠন করা হবে, তাতে দুই দেশের সম্পর্ক ফের মসৃণ হতে পারে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা হিসেবে সাংবাদিকদের সঙ্গে শেষবারের মতো মতবিনিময় করেন তৌহিদ।

Published on: Feb 06, 2026 8:54 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

স্বার্থের ধারণায় নাকি রয়েছে ফারাক, তাই ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক 'থমকে গিয়েছে'- এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেন। ৫ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের কাছে তিনি এও আশা ব্যক্ত করেন, নয়া যে সরকার নির্বাচনের পর গঠন করা হবে, তাতে দুই দেশের সম্পর্ক ফের মসৃণ হতে পারে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা হিসেবে সাংবাদিকদের সঙ্গে শেষবারের মতো মতবিনিময় করেন তৌহিদ।

Head of Bangladesh's interim government Muhammad Yunus, center, with Bangladesh Jamaat-e-Islami party leader Ameer Shafiqur Rahman, inaugurate the July Uprising Memorial Museum, once the official residence of Bangladesh's ousted Prime Minister Sheikh Hasina, in Dhaka, Bangladesh, Tuesday, Jan. 20, 2026. (AP Photo/Mahmud Hossain Opu) (AP)
Head of Bangladesh's interim government Muhammad Yunus, center, with Bangladesh Jamaat-e-Islami party leader Ameer Shafiqur Rahman, inaugurate the July Uprising Memorial Museum, once the official residence of Bangladesh's ousted Prime Minister Sheikh Hasina, in Dhaka, Bangladesh, Tuesday, Jan. 20, 2026. (AP Photo/Mahmud Hossain Opu) (AP)

ইউনুস জমানায় ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি নিয়ে তৌহিদ বলেন, 'নানা কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা মসৃণ ছিল না। তবে এই সরকারের উত্তরসূরি হয়ে যে নতুন সরকার আসবে, তারা এই অচলাবস্থা কাটিয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। ভারতের সঙ্গে আমরা 'ভালো কাজের সম্পর্কের' কথা বলে আসছি। আমি আপনাদের এটুকু বলতে পারি, আমার দিক থেকে এবং আমার ওপরে যিনি ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা আছেন বা সরকারের যে মতামত, এতে কিন্তু কোনও দ্বন্দ্ব নেই। পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দায়দায়িত্বের জায়গা থেকে আমরা আসলেই ভারতের সঙ্গে একটা ভালো কাজের সম্পর্ক চেয়েছি। এটা আমরা সব সময় চেয়েছি।'

এরপর তৌহিদ বলেন, 'ভারত নিশ্চয় তাদের স্বার্থ যেভাবে চিন্তা করে, সেভাবে করেছে। আমরা আমাদের স্বার্থ যেভাবে রক্ষিত হয় বলে ভেবেছি, সেভাবে করার চেষ্টা করেছি। দুটো ঠিক অনেক ক্ষেত্রে মেলেনি। আমাদের দুই পক্ষের নিজস্ব স্বার্থের ধারণার মধ্যে একটা তফাত রয়ে গেছে, যার কারণে অনেক ক্ষেত্রে আমরা এগোতে পারিনি। আমি আশা করব যে আমার উত্তরাধিকারী যিনি আসবেন এবং এই সরকারের উত্তরাধিকারী যে সরকার হবে, তাদের সময়ে আবার মসৃণ একটা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে। ইস্যু থাকবেই। এটি আমি সব দেশের ক্ষেত্রে বলেছি। সেগুলো নিয়ে সংঘাতও থাকবে স্বার্থের। তারপরও একটা মসৃণ সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সময়ে সম্পর্ক খুব মসৃণ ছিল না, এটি আমি স্বীকার করেই নিয়েছি। কারণ, বেশ কয়েকটি সমস্যা হয়েছে। আপনি তো নৈরাশ্যবাদী হতে পারেন না। আপনাকে আশাবাদী হতেই হবে। আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি, এ জন্য কোনও একটা পথ নিশ্চয় বের হবে, এই সমস্যাগুলোর সমাধানে পৌঁছানো যেতে পারে।'