Bangladeshi Hindu Widow Gangraped: নির্মম বাংলাদেশ! ঝিনাইদহে হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ, গাছে বেঁধে কাটা হল চুল

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নদীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ধর্ষণের পরে ৪০ বছর বয়সি সেই মহিলাকে গাছে বেঁধে রেখে তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নির্যাতনের সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন সেই মহিলা। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

Published on: Jan 06, 2026 8:05 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশের ঝিনাইদহে হিন্দু এক বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় দুই দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ জানুয়ারি রাতে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নদীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ধর্ষণের পরে ৪০ বছর বয়সি সেই মহিলাকে গাছে বেঁধে রেখে তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নির্যাতনের সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন সেই মহিলা। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

ধর্ষণের পরে ৪০ বছর বয়সি সেই মহিলাকে গাছে বেঁধে রেখে তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ধর্ষণের পরে ৪০ বছর বয়সি সেই মহিলাকে গাছে বেঁধে রেখে তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এদিকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত শাহিন এবং হাসান সেই মহিলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। নির্যাতিতা দুই দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে নির্যাতিতা দাবি করেন, প্রায় আড়াই বছর আগে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার নদীপাড়া থেকে বিধবার কাছে থাকা দুইতলা বাড়ি ও জমি কিনেছিল শাহিন। এরপর থেকেই শাহিন নাকি কুপ্রস্তাব দিত সেই মহিলাকে। এদিকে শাহিনের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন ভাবে আগেও তাকে হেনস্থা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ নির্যাতিতার।

গত ৩ জানুয়ারি সেই নির্যাতিতাকে পরপর ধর্ষণ করে শাহিন এবং হাসান। এদিকে নির্যাতিতার বাড়িতে সেদিন আত্মীয় আসে। তাদেরও মারধর করা হয়েছিল। চাওয়া হয়েছিল ৫০ হাজার টাকা। এদিকে ধর্ষণের পরে নির্যাতিতাকে গাছে বেঁধে তাঁর চুল কেটে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার ভিডিয়ো করে পরে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তারা। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, নির্যাতিতা মহিলাকে থানায় ডেকে এনে এজাহার নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তসলিমা নাসরিন। তিনি লেখেন, 'শাহিন আর হাসান, দুই মুসলমান, এক হিন্দু বিধবা নারীকে হেনস্থা করেছে, ধর্ষণ করেছে। শাহিন আর হাসান কি শাস্তি পাবে? নাকি হিন্দু নির্যাতনের ব্যাপারেও ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে?'