Bangladeshi Mosaddiq 'Uranium' Taunt: 'ইউরেনিয়াম ইউরেনিয়াম', ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনসার্টে 'ট্রোল' ভারত বিরোধী মোসাদ্দিক
মোসাদ্দিক স্লোগান তোলেন - 'কোটা না সংস্কার'। সেই সময় পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ 'কোটা কোটা' চেঁচাতে শুরু করে। আবার মোসাদ্দিক 'আজাদি না গোলামি' স্লোগান তুললে অনেকেই 'ইউরেনিয়াম' বলে ডাকতে শুরু করে তাঁকে।
ভারত বিরোধী বিপ্লবী তরুণ নেতা মোসাদ্দিক আলিকে চরম ব্যঙ্গ করা হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক কনসার্টে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দিককে 'ইউরেনিয়াম ইউরেনিয়াম' বলে ব্যঙ্গ করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে একটি কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মঞ্চে উঠে মোসাদ্দিক স্লোগান তোলেন - 'কোটা না সংস্কার'। সেই সময় পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ 'কোটা কোটা' চেঁচাতে শুরু করে। আবার মোসাদ্দিক 'আজাদি না গোলামি' স্লোগান তুললে অনেকেই 'ইউরেনিয়াম' বলে ডাকতে শুরু করে তাঁকে।

উল্লেখ্য, এর আগে এই মোসাদ্দিক দাবি করেছিল, বাংলাদেশে মজুত থাকা ইউরেনিয়াম দিয়ে ভারতকে উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ভারত বিরোধী এই নেতা এখন নিজের দেশের 'ট্রোল' হচ্ছেন। মোসাদ্দিক দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে নাকি এত ইউরেনিয়াম আছে, যা উত্তোলন করলে নাকি ভারতকে অসংখ্যবার উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। উল্লেখ্য, এর আগে হাদি মৃত্যুর পর এই মোসাদ্দিকই ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন ভবনের একেকটা ইট খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।
আর ইউরেনিয়াম এই মোসাদ্দিক বলেছিলেন, 'গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ম নিয়ে সবচেয়ে বেশি হুমকি আসছে ভারত থেকে। তারা কথায় কথায় বলছে যে আমাদের পারমাণবিক বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু তারা জানে না, বাংলাদেশের কুলাউড়া পাহাড়ে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম আছে, সেটা যদি আমরা উত্তোলন করতে পারি, ভারতকে অসংখ্যবার ধ্বংস করে দেওয়া যাবে। কিন্তু আমরা কোনও ধ্বংস চাই না। আমরা চাই এমন এক সরকার, যারা মৌলভীবাজারের এই কুলাইড়া পাহাড় থেকে ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হবে। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর আগে এই ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সরকার সেই ইউরেনিয়াম তোলার বিষয়ে সাহস করতে পারেনি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যে সরকার গঠন করবে, তাদের যেন মেরুদণ্ড থাকে, তারা যেন সেই ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হয়। একটা কথা আছে, প্রতিবেশী কখনও বন্ধু হয় না। কারণ প্রতিবেশী যদি বন্ধু হত, তাহলে সে প্রতিবেশী থাকত না, এক পরিবার হয়ে যেত। সীমানা থাকত না, কাঁটাতার থাকত না। সীমানা দিয়ে আলাদা করে মানচিত্র চিহ্নিত করার প্রয়োজন পড়ত না। বন্ধু হলে তো সব মানচিত্র এক হয়ে যেত। প্রতিবেশীরা যদি আমাদের বিষয়ে ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত করে, তাহলে চক্রান্তের জবাব চক্রান্ত দিয়ে দিতে হবে। ষড়যন্ত্রের জবাব ষড়যন্ত্র দিয়ে দিতে হবে।'
E-Paper











