Bangladeshi Protestor Mahdi Hasan: সব খুন মাফ হোক, জামিন পেয়ে দাবি SI সন্তোষকে পুড়িয়ে হত্যার কথা স্বীকার করা মেহদির
ক্যামেরার সামনে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করা ছাত্রনেতা মেহদি হাসান জামিন পেয়েছেন গ্রেফতারির একদিন পরই। তারপরই তিনি দাবি করেন, 'বিপ্লবের' সময় যে যা অপরাধ করেছে, তা সব ক্ষমা করতে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে সরকারকে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে তাণ্ডব চালিয়ে যে যা কুকীর্তি করেছে, সব কিছু ক্ষমা করে দেওয়া হোক। জামিনে মুক্তি পেয়ে এই দাবি করলেন বাংলাদেশের ছাত্র নেতা মেহদি হাসান। এর সঙ্গে তিনি আবার বলেন, 'অসাবধানতাবসত যে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, যার জন্য দেশবাসী ব্যথিত হয়েছেন। যার জন্য আমি দেশবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি।' প্রসঙ্গত, ক্যামেরার সামনে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করা ছাত্রনেতা মেহদি হাসান জামিন পেয়েছেন গ্রেফতারির একদিন পরই। তারপরই তিনি দাবি করেন, 'বিপ্লবের' সময় যে যা অপরাধ করেছে, তা সব ক্ষমা করতে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে সরকারকে।
ক্যামেরার সামনে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করা ছাত্রনেতা মেহদি হাসান জামিন পেয়েছেন গ্রেফতারির একদিন পরই।
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মেহদিকে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছিল। শুনানি শেষে তাকে জামিন দেয় বিচারক। উল্লেখ্য, মেহদির বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছিল। হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভের সময় হিন্দু পুলিশ অফিসারকে জ্বালিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিলেন বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। এই মেহদি হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। থানায় বসেই পুলিশ আধিকারিককে হুমকি দেন এই মেহদি। সেই সময়ই ২০২৪ সালের অগস্টের ঘটনার 'দায় স্বীকার' করেন তিনি। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে সেই বিপ্লবী নেতাকে।
এদিকে গ্রেফতারির আগে এই মেহদি এক ভিডিয়ো বার্তায় আবার নয়া দাবি করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ অফিসারকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় 'স্লিপ অফ টাং' হয়েছিল তাঁর। এদিকে বিতর্কের আবহে উঠে আসে, এই মেহদি একদা ছাত্রলীগের নেতা ছিল। তা নিয়ে মেহদির বক্তব্য, একসময় অনেকেই ছাত্রলীগ করেছে। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ করেছিলাম বলেই আমি দোষী নই, তাহলে তো সারজিস আলমও (এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক) দোষী।
উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সদস্যকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়াতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়েছিলেন এই মেহদি। সেখানে তিনি কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে আঙুল উঁচিয়ে শাসান। বলেন, 'বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম'। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। এই আবহে মেহদিকে শোকজ নোটিশ পাঠান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দফতর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন। পরে মেহদিকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা।
News/News/Bangladeshi Protestor Mahdi Hasan: সব খুন মাফ হোক, জামিন পেয়ে দাবি SI সন্তোষকে পুড়িয়ে হত্যার কথা স্বীকার করা মেহদির