Bangladeshi Rohingya Update: আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের বাঙালি বলে সম্বোধন, চটল বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের বাঙালি বলে সম্বোধন করল মায়ানমার। আর তাতেই বাংলাদেশ বেজায় চটেছে। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক এই বিষয়টি মায়ানমারের অপ্রচার বলে দাবি করেছে। এই আবহে মায়ানমারকে আক্রমণ শানিয়ে তারা দাবি করে, রাখাইন প্রদেশে যেন রোহিঙ্গাদের সমান অধিকার দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ভাবে থাকতে দেওয়া হয়।

Published on: Jan 24, 2026 2:15 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে-তে রোহিঙ্গাদের বাঙালি বলে সম্বোধন করল মায়ানমার। আর তাতেই বাংলাদেশ বেজায় চটেছে। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক এই বিষয়টি মায়ানমারের অপ্রচার বলে দাবি করেছে। এই আবহে মায়ানমারকে আক্রমণ শানিয়ে তারা দাবি করে, রাখাইন প্রদেশে যেন রোহিঙ্গাদের সমান অধিকার দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ভাবে থাকতে দেওয়া হয়। এদিকে মায়ানমারের দাবি, রোহিঙ্গারা আদতে বাংলাদেশ থেকে মায়ানমারে যাওয়া 'বাঙালি'। তবে সেই দাবি অস্বীকার করে বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের বাঙালি বলে সম্বোধন করল মায়ানমার। (AFP)
আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের বাঙালি বলে সম্বোধন করল মায়ানমার। (AFP)

এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একে অপরের দিকে আঙুল তোলার মাঝেই ইউনুস জমানাতে প্রায় লাখ খানেকের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে মায়ানমার থেকে। এই আবহে এদিকে ইউনুস সম্প্রতি চট্টগ্রাম হয়ে মায়ানমারে একটি মানবিক করিডোর গড়ে তোলার ঘোষণা করেছিলেন। যা নিয়ে সরব হয়েছেন বহু বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। অনেকেরই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই মানবিক করিডোর দিয়ে আদতে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের মদত দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এরই মাঝে আবার দাবি করা হয়েছিল, বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া তো দূর, আরও রোহিঙ্গা মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসতে চলেছে। এই সবের মাঝে দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চল বেশ অশান্ত হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে। আর এই পরিস্থিতিতে হাসিনার অভিযোগ, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যেই মানবিক করিডোরের নামে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলায় মাততে চান ইউনুস। পরে অবশ্য ঘরের ভিতরের চাপের কাছে সেই করিডোরের পরিকল্পনা ত্যাগ করার কথা জানায় সরকার।

এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, মায়ানমার এবং চট্টগ্রামের সীমান্তে মায়ু পর্বতের জঙ্গলে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এই রোহিঙ্গা জঙ্গিরা নাকি মৎস্যজীবী ছদ্মবেশে নাফ নদীর পাশে থাকছে। মংডু শহরেও নাকি লুকিয়ে আছে তারা। আর সময় মতো গভীর জঙ্গলে চলছে তাদের প্রশিক্ষণ। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে মৎস্যজীবী ছদ্মবেশে থাকা রোহিঙ্গা জঙ্গিরা আরাকান আর্মির দুই বিদ্রোহীকে খুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিল। মংডু শহরটি এমনিতে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে নাফ নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে রোহিঙ্গা জঙ্গিরা সেখানে অরাজকতা ছড়ানোর ছক কষে। এদিকে বাংলাদেশ থেকে সাহায্য যাচ্ছে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের জন্য। বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম পাচার হচ্ছে সীমান্ত পার করে।