Bangladesh Cricket Team: ভারতে ক্রিকেট দল পাঠাবে না ইউনুসের বাংলাদেশ! জয় শাহের ICCকে কী জানাল বিসিবি?
জয় শাহের আইসিসির কাছে কী জানাল বিসিবি?
বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে কেকেআর থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে তুঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের পাল্টা তৎপরতা। গতকালই বিসিসিআই-র নির্দেশের পর মুস্তাফিজুরকে দল থেকে রিলিজ করে দেয় শাহরুখ খানের কেকেআর। এরপরই চোটে লাল বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড! আসে নানান হুঁশিয়ারির সুর। এরপর রবিবার ইউনুস শাসিত বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমকে ভারতে খেলতে আসতে দিতে চায়না, এজন্য তারা আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে বিষয়টি।

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আগামী মাসে আইসিসি টি২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে চলেছে। এর আগে পর্যন্ত ঠিক ছিল বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলি ভারতের মাটিতে খেলবে। তবে মুস্তাফিজুর পর্বের পর বেঁকে বসেছে বিসিবি। নিরাপত্তা জনিত আশঙ্কায় ভারতে বাংলাদেশের দল পাঠানো সম্ভব না বলে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই বিষয়ে তারা আইসিসিকে ইমেলও করেছে বলে খবর। উল্লেখ্য, এই আইসিসির প্রধান বর্তমানে জয় শাহ, সম্পর্কের দিক থেকে তিনি ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্র। এই জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসিকে ইউনুস শাসিত বাংলাদেশের ক্রিটেট বোর্ড জানিয়েছে, তারা ভারতে দল পাঠাতে চায় না নিরাপত্তাজনিত কারণে। এর আগে, রবিবার দুপুর ১টায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ১৭ জন পরিচালক একসঙ্গে বৈঠকে বসেন অনলাইনে। সেখানেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের এক পরিচালকের প্রশ্ন,'যেহেতু তারা আমাদের একজন ক্রিকেটারের নিরাপত্তা দিতে পারছে না, গোটা দলের নিরাপত্তা কিভাবে দেবে?' ইউনুসের বাংলাদেশের 'নতুন বন্ধু’ পাকিস্তানের সুরে, এবার ঢাকাও বলছে, তাদের দল খেললে শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কাতেই খেলবে।
এর আগে শনিবার, বাংলাদেশের সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ফেসবুকে লেখেন, ‘ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে আমি ক্রিকেট বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছি পুরো বিষয়টি লিখিতভাবে আইসিসিকে জানাতে।’ আপাতত গোটা বিষয়টি নিয়ে জয় শাহের আইসিসি কোন পদক্ষেপ করে সেদিকে তাকিয়ে ক্রিকেট প্রেমীরা। এদিকে, বিসিবির সুর শুনেই বেসরকারিভাবে বিসিসিআই সূত্র জানায়,বিশ্বকাপের একমাস আগে বাংলাদেশ দল ভেন্যু বদল করতে চাইলে তা লজিস্টিক ভাবে খুবই কঠিন হবে। শুধু বাংলাদেশ দল নয়, এর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দলগুলিকে ভোগান্তি পোহাতে হবে। প্রসঙ্গত, বিসিসিআআই বলছে, ইতিমধ্যেই সব দলের বিমানের টিকিট থেকে শুরু করে হোটেল বুক করা হয়েছে। এছাড়াও ব্রডকাস্টিং ক্রুকে ঝক্কি পোহাতে হবে। এমন অবস্থায় বিসিসিআই-র দাবি মানা কঠিন বলে বিসিসিআই-র বার্তা।












