'নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, সেভাবে বাংলায় তৃণমূলের আধিপত্যবাদের...'
বিজেপি বিধায়ক বলেন, 'নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে আপসহীনভাবে সংগ্রাম করে গিয়েছিলেন। ঠিক আজকের পশ্চিমবঙ্গের শাসকদলের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। তার জন্য শক্তি পেয়েছি এই অনশন কর্মসূচি থেকে।'
নেতাজির জন্মদিনে তৃণমূল কংগ্রেসকে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের সঙ্গে তুলনা করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বিধায়ক তহবিলের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে অনশনে বসেছিলেন শঙ্কর ঘোষ। ২৪ ঘণ্টা পর সেই অনশন প্রত্যাহার করে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। সেই সময়ই তিনি বলেন, 'নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে আপসহীনভাবে সংগ্রাম করে গিয়েছিলেন। ঠিক আজকের পশ্চিমবঙ্গের শাসকদলের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। তার জন্য শক্তি পেয়েছি এই অনশন কর্মসূচি থেকে।'
শঙ্করের বক্তব্য, 'আজ আমি বিরোধী। কাল আমরা সরকারে বসব। বিরোধীদের যেন এই দশা না হয়। আজ নেতাজির জন্মদিনে এই উপলব্ধি নিয়েই অনশন ভাঙলাম। অনশনের সময় পথচলতি মানুষ বলেছেন, দাদা পারতেই হবে। এদের সরাতে হবে। এটা আমার কাছে আশীর্বাদ।' বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, বিধায়কদের পাঁচ বছরে তিন কোটি টাকা করে তহবিল পান বিধায়করা। তবে সেই টাকা ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এর জন্য অন্তত নয়টি প্রকল্প, যেগুলি ছাড়পত্র পেয়েছিল কিন্তু কাজ শুরু হয়নি। অনেক প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না আবার। এই আবহে তিনি রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল পরিচালিত পৌরনিগমের দিকে আঙুল তোলেন। এমনকী গৌতম দেবের আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শঙ্কর ঘোষ।
এই আবহে শিলিগুড়ির পৌরনিগমের মেয়র গৌতম দেব বলেন, 'শঙ্কর ঘোষ সিপিএম থেকে বিজেপিতে গিয়েছিলেন কেন? এর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাটা জানতে চাই। তিনি যদি বিধায়ক হিসেবে এত জনপ্রিয় হন, তাহলে নিজেরই ওয়ার্ডে তৃতীয় হলেন কেন? এর আগে তো তিনি শিলিগুড়ির কাউন্সিলরও ছিলেন।' এদিকে তাঁর আয় নিয়ে শঙ্কর যে প্রশ্নবাণ ছুড়ে দিয়েছেন, তা নিয়ে গৌতম বলে, 'তিনি যা সব অভিযোগ করেছেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে যে কেউ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠাতে পারে।'
News/News/'নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, সেভাবে বাংলায় তৃণমূলের আধিপত্যবাদের...'