BNP on Sheikh Hasina:শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানোর বার্তা দিয়ে BNPর হুঙ্কার!ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কী বলছে পার্টি?
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিচারের জন্য শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের প্রতি আহ্বান জানাবে দল।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ী বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি) সেদেশে বিচারের জন্য ভারতে আশ্রিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়েছে।

বাংলাদেশে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পরপরই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের জন্য তাঁর দল বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের প্রতি আহ্বান জানাবে। বিএনপির সিনিয়র নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিদেশমন্ত্রী ইতিমধ্যে তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়টি অনুসরণ করেছেন এবং আমরা এটি সমর্থন করি’। তিনি বলেন, 'যেহেতু তাঁর (শেখ হাসিনা) বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং আওয়ামি লিগের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, তাই ভারত সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির ভিত্তিতে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এটি আমাদের বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে আইনি পথেই সম্পন্ন হবে।’
তাঁর কাছে প্রশ্ন যায়, ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চাইছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ? তার উত্তরে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ভারতসহ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক চায়, তবে সম্পর্ক অবশ্যই বন্ধুত্বপূর্ণ, ন্যায্যতা আর সমান অধিকারের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতসহ সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমান ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই।’
এদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত হওয়া বাংলাদেশের ভোটকে শেখ হাসিনা ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেন। এর আগে, বাংলাদেশে ইউনুস সরকারের আমলে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের অবস্থান নভেম্বরে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা অনুরোধ পেয়েছি এবং চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে ঢাকা। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থ এবং সে দেশের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে এই বিষয়ে গঠনমূলকভাবে কাজ চালিয়ে যাব।’
ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে ভারতে নির্বাসনে বসবাসরত শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের অস্থিরতার সময় সহিংস দমনপীড়নের সাথে যুক্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল দ্বারা অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নয়া দিল্লির জমতার চোখের বাইরে রয়েছেন। এর আগে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের জেরে ভারতে এসে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা।
(এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। )
E-Paper











