কেন্দ্রের ধামাকা! ২০৩০ সাল পর্যন্ত অটল পেনশন যোজনা সম্প্রসারণের অনুমোদন, অবসরের পর...

২০১৫ সালে চালু হওয়া অটল পেনশন যোজনার লক্ষ্য হল অ-সংগঠিত খাতের কর্মীদের বৃদ্ধ বয়সে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

Published on: Jan 21, 2026 10:26 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অ-সংগঠিত খাতের কর্মীদের কাছে অবসরোত্তর আর্থিক নিরাপত্তা অন্যতম বড় উদ্বেগের বিষয়। চাকরির সময় নিয়মিত মাসিক বেতন মিললেও অবসর গ্রহণের পর সেই আয়ের ধারাবাহিকতা থাকে না। এই পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট মাসিক পেনশন অবসর জীবনকে অনেকটাই নিশ্চিত করতে পারে। আর এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় সরকার অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) চালু করেছে। মূলত যাঁরা অবসর নেওয়ার পর কোনও পেনশন বা নিয়মিত আর্থিক সাহায্য পান না, তাঁদের জন্যই এই প্রকল্প। বুধবার ২০৩০-৩১ সাল পর্যন্ত সেই অটল পেনশন যোজনার সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই সিদ্ধান্তের ফলে বড় স্বস্তি পেলেন অবসরপ্রাপ্ত লক্ষ লক্ষ বেসরকারি চাকরিজীবীরা।

অটল পেনশন যোজনা সম্প্রসারণের অনুমোদন (HT_PRINT)
অটল পেনশন যোজনা সম্প্রসারণের অনুমোদন (HT_PRINT)

কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই)-কে আর্থিকভাবে টেকসই রাখাতে আউটরিচ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং গ্যাপ ফান্ডিংয়ের জন্য সরকারি তহবিলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার এই অনুমোদন নিশ্চিত করে যে অ-সংগঠিত খাতের কর্মীদের বৃদ্ধ বয়সের আর্থিক সুরক্ষা। ৬০ বছর বয়সে পৌঁছালে সদস্যরা মাসে ১,০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশন পেতে পারেন। এই পেনশন আজীবনের জন্য প্রযোজ্য। সদস্যের মৃত্যু হলে পেনশনের সুবিধা তাঁর স্বামী বা স্ত্রীর কাছে হস্তান্তরিত হয় এবং উভয়ের মৃত্যু হলে জমা অর্থ মনোনীত ব্যক্তিকে প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা অ-সংগঠিত খাতের কর্মীদের মধ্যে এপিওয়াই-এর সম্প্রসারণের জন্য সচেতনতা প্রচার, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অব্যাহত সরকারি সহায়তা অনুমোদন করেছে।

২০১৫ সালে চালু হওয়া অটল পেনশন যোজনার লক্ষ্য হল অ-সংগঠিত খাতের কর্মীদের বৃদ্ধ বয়সে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সি যে কোনও ব্যক্তি এই প্রকল্পে যোগ দিতে পারেন। সদস্যদের বয়স এবং নির্বাচিত পেনশন স্ল্যাব অনুযায়ী প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্ক জমা দিতে হয়। নির্বাচিত পেনশন স্ল্যাব অনুযায়ী মাসিক অবদানের অঙ্ক নির্ধারিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০ বছর বয়সে কেউ যদি ১,০০০ টাকা মাসিক পেনশন বেছে নেন, তবে তাঁকে মাসে ৪২ টাকা দিতে হবে। কম বয়সে এই প্রকল্পে যোগ দিলে কম বিনিয়োগে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। তাই বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অটল পেনশন যোজনা একটি কার্যকর অবসর পরিকল্পনার বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।