Case Against Hasina: বাংলাদেশে হত্যাচেষ্টা মামলায় মেলেনি আহতদের হদিশ, ইউনুসের নাকের ডগায় হাসিনাকে অব্যাহতির সুপারিশ

২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন জখম শহিদের 'ভাই' শরিফ। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ অগস্ট ধানমণ্ডিতে একটি শপিংমলে কাজ শেষ করে ফিরছিলেন শহিদ আলি নামে এক ব্যক্তি। সেই সময় তার ওপর হামলা হয়েছিল। তাতে মোট ১০ জন জখম হয়েছিল। 

Published on: Jan 14, 2026 9:34 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

খুনের চেষ্টার মামলায় শেখ হাসিনাকে অভিযুক্ত করে মামলা রুজু হয়েছিল বাংলাদেশে। ২০২৪ সালের জুলাই-অগস্টে নাকি ১০ জন বিপ্লবীকে হত্যার চেষ্টা করেছিল হাসিনার সরকার। এই আবহে মোট ১১৩ জনের নামে মামলা হয়েছিল। তবে মামলায় উল্লেখিত কোনও আহতের খোঁজই পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে ইউনুস জমানার ভুয়ো মামলার পর্দা ফাঁস হয়ে গেল। এরই সঙ্গে হাসিনা সহ ১১৩ জন অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন জখম শহিদের 'ভাই' শরিফ।
২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন জখম শহিদের 'ভাই' শরিফ।

পুলিশের তরফ থেকে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মামলায় তথ্যগত ভুল ছিল। এই মামলায় হাসিনা ছাড়াও অভিযুক্ত করা হয়েছিল হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ ১১৩ জনকে। এখন মামলা সংক্রান্ত তদন্তে পুলিশ কোনও তথ্যপ্রমাণ খুঁজে না পাওয়ায় নাক কাটা পড়েছে ইউনুস সরকারের।

জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন জখম শহিদের 'ভাই' শরিফ। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ অগস্ট ধানমণ্ডিতে একটি শপিংমলে কাজ শেষ করে ফিরছিলেন শহিদ আলি নামে এক ব্যক্তি। সেই সময় তার ওপর হামলা হয়েছিল। সেই হামলায় জখম হয়েছিলেন ঢাকা কলেজ এবং সিটি কলেজেরও আরও ৯ জন পড়ুয়া। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অভিযুক্ত করে সেই মামলা করা হয়েছিল। তবে অভিযোগকারী সহ অন্য কোনও জখম পড়ুয়ার খোঁজই পায়নি পুলিশ।

এই নিয়ে পুলিশের বক্তব্য, জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে সরকারি গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এ মামলায় যাদের আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, গেজেটে তাদের নাম পাওয়া যায়নি। এমনকী মামলাকারীকে পরে থানায় তদন্তের জন্যে হাজিরা দিতে বলা হলে তিনিও কোনও সাড়া দেননি। পরে উল্লেখিত ঠিকানায় গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, মামলাকারী শরিফ নামে কেউ সেখানে থাকে না। এদিকে এই মামলায় চারজনকে পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল।