Chandrayaan-4 landing update: ইসরোর ক্ষমতা এটাই! চন্দ্রযান-৪ মিশনের ২ বছর আগেই ‘কঠিন’ কাজটা সেরে ফেলল, কী হবে?

২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ মিশনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো। আর তার দু'বছর আগে বড় কাজটা করে ফেলল। যা অন্যতম কঠিনও বটে। অত্যাধুনিক 'অরবিটার হাই রেজোলিউশন ক্যামেরা'-র মাল্টিভিউ ছবির মাধ্যমে সেই কাজটা করা হয়েছে।

Published on: Feb 09, 2026 9:58 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এখনও দু'বছর বাকি আছে চন্দ্রযান-৪ মিশনের। তবে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো ইতিমধ্যে ঠিক করে ফেলেছে যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কোন জায়গায় অবতরণ চন্দ্রযান-৪ মিশনের ল্যান্ডার। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ল্যান্ডারের অবতরণের জন্য তাঁরা মনস মাউটনের (চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবস্থিত একটি মালভূমি বা পর্বত এলাকার মতো) চারটি জায়গা চিহ্নিত করে ফেলেন। আর অবতরণের উপযুক্ত হিসেবে একটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানী।

২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ মিশনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ইসরো। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ মিশনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ইসরো। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

কীভাবে ওই চারটি জায়গাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল?

ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক 'অরবিটার হাই রেজোলিউশন ক্যামেরা'-র মাল্টিভিউ ছবি দেখে মনস মাউটনের চারটি জায়গার (এমএম-১, এমএম-৩, এমএম-৪ এবং এমএম-৫) চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য খতিয়ে দেখা হয়। শেষপর্যন্ত ল্যান্ডিংয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে এমএম-৪। যা আদতে এক কিলোমিটার বাই এক কিমির একটা জায়গা। সেখানে বিপদের মাত্রা কম। গড় ঢাল হল পাঁচ ডিগ্রি। গড় উচ্চতা ৫,৩৩৪ মিটার। সেইসঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে। সেজন্যই চন্দ্রযান-৪ মিশনের ল্যান্ডারের অবতরণের সম্ভাব্য জায়গা হিসেবে এমএম ৪-কে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

ভারতের সবথেকে কঠিন চন্দ্রযান মিশন

এমনিতে ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণ জানিয়েছেন, ২০২৮ সালেই চন্দ্রযান-৪ মিশন উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। যে মিশনে ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই মিশন হতে চলেছে ভারতের সবথেকে জটিল এবং কঠিন চন্দ্রযান-৪ মিশন।

কী কী থাকছে চন্দ্রযান-৪ মিশনে?

ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চন্দ্রযান-৪ মিশনে থাকছে প্রপালশন মডিউল, ডিসেন্ডার মডিউল, অ্যাসেন্ডার মডিউল, ট্রান্সফার মডিউল এবং রি-এন্ট্রি মডিউল। ডিসেন্ডার মডিউল এবং অ্যাসেন্ডার মডিউল মিলিয়ে যে অংশটা থাকছে, সেটিই চাঁদে অবতরণ করবে।