US on China Secret Nuclear Test: গালওয়ান সংঘর্ষের পরে পরমাণু বিস্ফোরণের পরীক্ষা চালিয়েছিল চিন, দাবি মার্কিন কর্মকর্তার

মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন এই ধরনেরই একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। অর্থাৎ, গালওয়ান সংঘর্ষের কয়েকদিন পরই এই পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। এই আবহে ডিনান্নো দাবি করেন, চিনেক এই ধরনের পরমাণু বিস্ফোরণ গোটা বিশ্বের জন্য খুবই আশঙ্কাজনক।

Published on: Feb 08, 2026 8:59 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি থমাস জি ডিনান্নো বলেছেন, ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকে ফাঁকি দেওয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করে গোপনে পারমাণবিক বিস্ফোরক পরীক্ষা চালাচ্ছে চিন। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন এই ধরনেরই একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। অর্থাৎ, গালওয়ান সংঘর্ষের কয়েকদিন পরই এই পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। এই আবহে ডিনান্নো দাবি করেন, চিনেক এই ধরনের পরমাণু বিস্ফোরণ গোটা বিশ্বের জন্য খুবই আশঙ্কাজনক।

মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। (AFP)
মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। (AFP)

এদিকে বর্তমান বিশ্বে স্ট্যাটেজিক আর্ম রিডাকশন ট্রিটি (স্টার্ট) পুরোপুরি অর্থহীন বলে দাবি করেছেন ডিনান্নো। উল্লেখ্য, এই চুক্তির মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্র কমানোর জন্য সম্মত হয়েছিল আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে। এই নিয়ে ডিনান্নো বলেন, 'নয়া স্টার্ট সই হয়েছিল ২০১০ সালে। সেই চুক্তিতে অস্ত্র এবং লঞ্চারের সংখ্যা সীমিত রাখার যে উল্লেখ ছিল, তা ২০২৬ সালে এসে অর্থহীন। কারণ একটি পরমাণু শক্তি এমন গতিতে নিজেদের অস্ত্র ভাণ্ডার বাড়াচ্ছে যা গত অর্ধশত বর্ষে দেখা যায়নি। এছাড়া নয়া স্টার্টের নিয়ম অনুযায়ী অপর একটি পরমাণু দেশ তাদের বিপুল অস্ত্র ভাণ্ডার বজায় রেখেছে। আমেরিকার প্রায় পরমাণু বাহিনীকে এই স্টার্ট দ্বারা সীমিত করা হয়েছে। তবে রাশিয়ার কিছু পরিমাণ ভাণ্ডার এর আওতায় আছে। এবং চিনের কোনও অস্ত্রের উল্লেখই এই স্টার্টে নেই।' এই আবহে আমেরিকা নিজেরাও নিজেদের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার বৃদ্ধি করবে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে দাবি করেছিলেন, রাশিয়া, চিন, উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তান সহ বেশ কয়েকটি দেশ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই আবহে আমেরিকা নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা শুরু করতে পারে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কারণ ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকার পরমাণু পরীক্ষা জরুরি। এই আবহে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা শুরু করার জন্য যুদ্ধ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। রাশিয়া পারমাণবিক সক্ষম ও পরমাণু শক্তিচালিত নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বুরেভেস্টনিকের পরীক্ষা চালানোর কয়েকদিন পরই নিউক্লিয়ার টেস্ট নিয়ে সরব হতে শুরু করেছিলেন ট্রাম্প। আর এই সবের মাঝেই এবার চিনের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে বড় দাবি করলেন মার্কিন কর্মকর্তা।