China on Business with India: ভারত-আমেরিকা চুক্তির আবহে ‘রেকর্ড’ বাণিজ্য নিয়ে বড় বার্তা চিনা দূতের

আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য দ্বন্দ্ব মিটে যাওয়ায় ভারত ফের 'দূরে' চলে যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় পড়তে পারে চিন। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-চিন বাণিজ্য নিয়ে চিনা কূটনীতিকের এই বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

Published on: Feb 04, 2026 1:09 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এরই মাঝে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে বড় খবর দিলেন চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং। তিনি বললেন, ভারতন-চিন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০২৫ সালে ১৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের 'রেকর্ড উচ্চতায়' পৌঁছেছে। গত ২০২৪ সালের তুলনায় তা ১২ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, চিনে ভারতের রফতানি ৯.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসে জু ফেইহং এসব কথা বলেন। তাঁর কথায়, ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বকে সমর্থন করে চিন।

আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য দ্বন্দ্ব মিটে যাওয়ায় ভারত ফের 'দূরে' চলে যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় পড়তে পারে চিন।
আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য দ্বন্দ্ব মিটে যাওয়ায় ভারত ফের 'দূরে' চলে যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় পড়তে পারে চিন।

তিনি বলেন, ভারতের সাথে বহুপাক্ষিক সমন্বয় জোরদার করার প্রত্যাশায় রয়েছে চিন। গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চিন ভারতের সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এদিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জু বলেন, গত বছর তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। তারপর থেকেই চিন এবং ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ উন্নতি হয়েছে। তাঁর কথায়, চিন এবং ভারত সম্পর্ক 'রিসেট' হয়েছে।

উল্লেখ্য, আমেরিকার শুল্কের চাপে ভারত এবং চিন কাছাকাছি এসেছে। গালওয়ান পরবর্তী দূরত্ব মিটিয়ে নিজেদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে দুই দেশ। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পরে চালু হয়ছে ভারত-চিন উড়ান পরিষেবা। ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে বেশ কিছু পণ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে চিন। ভারত-চিনের এই ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তি বেড়েছে আমেরিকায়। পুতিন, মোদী এবং জিনপিংয়ের করমর্দনের ছবি আমেরিকার প্রতিটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল। এই সবের মাঝে আমেরিকার সঙ্গে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের কোয়াড জোটের অস্তিত্ব প্রশ্নচিহ্নের সম্মুখীন হয়েছিল। তবে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য দ্বন্দ্ব শেষ হতে চলেছে। স্বাক্ষরিত হতে চলেছে বাণিজ্য চুক্তি। এর আগে গালওয়ান সংঘর্ষের পর চিনা বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারত। সেই বিধিনিষেধ শিথিল করে ভারত। তবে ভারত যে চিনকে পুরোপুরি ভরসা করে না, তা হয়ত বেজিংও বোঝে। এদিকে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য দ্বন্দ্ব মিটে যাওয়ায় ভারত ফের 'দূরে' চলে যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় পড়তে পারে চিন। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-চিন বাণিজ্য নিয়ে চিনা কূটনীতিকের এই বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।