China on Bangladesh Ties: দড়ি টানাটানি শুরু! বাংলাদেশে গিয়েই US দূতের চিন নিয়ে মন্তব্যে বেজায় চটেছে বেজিং

মার্কিন দূতের বক্তব্যের পরই বাংলাদেশের চিনা দূতাবাসের তরফে কী বলা হয়েছে?

Published on: Jan 22, 2026 7:15 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সামনেই শেখ হাসিনা-হীন বাংলাদেশে ভোটপর্ব। আর তার আগেই সেখানে পা রেখে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন খবরের শিরোনাম কেড়ে নিয়েছেন। তিনি সেখানে পা রেখেই তিনি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে চিন সম্পর্কে একটি মন্তব্য করেন। আর তাতেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছে বেজিং! মার্কিন দূতের বক্তব্যের পর পাল্টা বাংলাদেশে চিনা দূতাবাস থেকে একটি বক্তব্য পেশ করা হয়েছে। তাতে কার্যত আমেরিকাকে তুলোধোনা করা হয়েছে।

দড়ি টানাটানি শুরু! বাংলাদেশে গিয়েই US দূতের চিন নিয়ে মন্তব্য, বেজায় চটেছে বেজিং (REUTERS)
দড়ি টানাটানি শুরু! বাংলাদেশে গিয়েই US দূতের চিন নিয়ে মন্তব্য, বেজায় চটেছে বেজিং (REUTERS)

এর আগে, কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন,' দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশে আমি সব বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব, সেটা অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকার হোক। এখানে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চিনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, সেটা আমি স্পষ্টভাবে তুলে ধরব।' চিনকে ঘিরে বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘ঝুঁকি’ উল্লেখ ঘিরে যে বার্তা ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন দিয়েছেন, তাতে এক্কেবারে খুশি নয় বেজিং। চিন এদিন পাল্টা এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, তার বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাসের তরফে। সেখানে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মন্তব্যকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন' বলেছে চিন।

বাংলাদেশে চিনের দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের এ ধরনের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এসব মন্তব্যে ঠিক আর ভুল গুলিয়ে ফেলা হয়েছে এবং এর পেছনে সুস্পষ্ট অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। বেজিংয়ের স্পষ্ট বার্তা, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর গত ৫০ বছরে চিন ও বাংলাদেশ সব সময় একে অপরকে সমর্থন করেছে, সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতায় যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে অবস্থিত চিনা দূতাবাস বলছে, চিন-বাংলাদেশ সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুফল বয়ে এনেছে এবং ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছে। এই সহযোগিতা আঞ্চলিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক।

তবে এরপর আমেরিকা ও চিন নিয়ে ইউনুসের ঢাকার কী অবস্থান হতে চলেছে, সেদিকে তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল। সামনেই বাংলাদেশে ভোট। তার আগে বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশের এই বক্তব্য বেশ তাৎপর্যবাহী বলে মনে করা হচ্ছে।