Mamata Banerjee: ক্রিকেটের ২২ গজেও চ্যাম্পিয়ান মমতা! নব্বইয়ের দশকে পুরুষ সাংসদের তুড়ি মেরে হন ম্যাচ সেরা, জানতেন?
Mamata Banerjee: অদম্য় জেদ আর হার না মানা মনোভাব নিয়েই ৩৪ বছরের বাম শাসন উপড়ে ফেলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্রিকেটের ২২ গজেও একইরকম মমতা। কিন্তু জানেন কি দিদি শুধু ক্রীড়াপ্রেমী নন, ক্রিকেট খেলাতেও সমান সাবলীল!
বর্তমানে দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টানা তিনবার পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বভার তাঁর কাঁধে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। এর মাঝেই শনিবার সদ্য বিশ্বজয়ী বাঙালি ক্রিকেটার রিচা ঘোষকে সম্মানিত করলেন মুখ্য়মন্ত্রী।
ক্রিকেটের ২২ গজেও চ্যাম্পিয়ান মমতা! ৩৯ বছর আগে পুরুষদের তুড়ি মেরে হন ম্যাচ সেরা
মমতার সিরিয়াল প্রীতির কথা আজকের প্রজন্মের অজানা নয়। কিন্তু অনেকেই হয়ত জানেন না, মুখ্যমন্ত্রী কতখানি বড় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। শুধু যে খেলা দেখতেই ভালোবাসেন তা নয়, একটা সময় খেলতেও ওস্তাদ ছিলেন দিদি। রিচা ঘোষের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ইডেনে। দায়িত্বে ছিল সিএবি। সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তীরা।
সেই ভিড়েই এদিন অজানা এক গল্প ওঠে এল। এদিন বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য জানান, নব্বইয়ের দশকে দিল্লিতে উভয় কক্ষের সাংসদদের মধ্যে একটা ক্রিকেট ম্যাচ হয়েছিল। মহিলা এবং পুরুষ উভয় সাংসদরাই অংশ নিয়েছিলেন। সেই মিক্স টিম ম্যাচের সেরা প্লেয়ার নির্বাচিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার অগ্নিকন্যা ব্যাট-বল হাতেও যে সফল, তার প্রমাণ সেই ম্যাচ।
বছর পাঁচেক আগে প্রাক্তন সাংসদ আলভা মার্গেটের পুত্র নিবেদিত সেই ম্যাচের একটি ছবি এক্স হ্যান্ডেলে ভাগ করে নিয়েছিলেন। পরনে সাদা শাড়ি, মাথায় টুপি। বিনুনি বাঁধা চুল, বুকে সাঁটা নীল-সাদা ব্যাজ। মাটিতে বসে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জানা যায়, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি আর কুমারমঙ্গলমের নেতৃত্বে লোকসভার টিম মাঠে নেমেছিল রাজ্যসভার সাংসদদের বিরুদ্ধে। লোকসভার টিমের খিলাড়ি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ম্যাচে লোকসভা হাতে পরাজিত হয় রাজ্যসভার সদস্যদের টিম। উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স করে ম্যাচের সেরা হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘তখন উনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এখানে যাঁরা মহিলা ক্রিকেটার এটা তাঁদের আরও উৎসাহ জোগাবে। এবং যে কোনও ক্রীড়াপ্রেমী মানুষকেও, যে কোনও খেলা, সেই সম্পর্কিত প্রকল্প মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে মুখ ফিরিয়ে যাবে না’।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাও যুব এবং ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন দ্বিতীয়বার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে পার্লামেন্টে গিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক কেরিয়ারের গোড়ার এই কাহিনি অনেকেরই অজানা।
News/News/Mamata Banerjee: ক্রিকেটের ২২ গজেও চ্যাম্পিয়ান মমতা! নব্বইয়ের দশকে পুরুষ সাংসদের তুড়ি মেরে হন ম্যাচ সেরা, জানতেন?