Congress Leader on Indian Army: 'এত সেনার দরকার কী, অন্য কাজে লাগানো হোক জওয়ানদের', বিতর্কিত মন্তব্য কংগ্রেস নেতার
কংগ্রেস নেতা বলেন, অপারেশন সিঁদুর স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে যে ভবিষ্যতে বিমান শক্তি এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লড়াই করা হবে। অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনে ভারত পরাজিত হয়েছিল। এদিকে আমাদের সেনাবাহিনীতে ১২ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ সৈন্য রয়েছে, যেখানে পাকিস্তানে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ সৈন্য রয়েছে।
ভারতীয় সেনা নিয়ে এবার বিতর্কিত মন্তব্য প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চৌহানের। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এত বিপুল সংখ্যায় জওয়ান থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই আবহে সৈন্যদের অন্য কোনও কাজে নিয়োজিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, অপারেশন সিঁদুর স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে যে ভবিষ্যতে বিমান শক্তি এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লড়াই করা হবে। অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনে ভারত পরাজিত হয়েছিল। এদিকে আমাদের সেনাবাহিনীতে ১২ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ সৈন্য রয়েছে, যেখানে পাকিস্তানে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ সৈন্য রয়েছে। কিন্তু এই বিপুল সংখ্যার কোনও তাৎপর্য নেই, কারণ এ ধরনের যুদ্ধ মাঠে হবে না।'
কংগ্রেস নেতা বলেন, আমাদের সেনাবাহিনীতে ১২ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ সৈন্য রয়েছে, যেখানে পাকিস্তানে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ সৈন্য রয়েছে। (PTI)
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এত বড় সেনাবাহিনী থাকার প্রয়োজনীয়তা কী? এখন আপনার কাছে কত পদাতিক সৈনিক রয়েছে তা বিবেচ্য নয়, কারণ কেউ আপনাকে এই ধরনের যুদ্ধ করতে দেবে না। অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা দেখেছি যে সেনাবাহিনী এক কিলোমিটারও এগিয়ে যায়নি। অপারেশন সিঁদুরের সময় লড়াই আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সীমাবদ্ধ ছিল এবং এরপর থেতে যুদ্ধ এমনই হবে। এই পরিস্থিতিতে, ১২ লক্ষ সৈন্যের বাহিনীতে থাকার কী প্রয়োজন? তাদের অন্য কোনও কাজে নিয়োগ করলে ভালো হবে। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, পুণেতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চৌহান বলেন, 'আমরা অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনটি পুরোপুরি হেরে গিয়েছিলাম। ভারতীয় বিমান ধ্বংস করা হয়েছিল। গোয়ালিয়র, ভাতিন্ডা বা সিরসা থেকে যদি কোনও বিমান উড়ে যায়নি সেদিন।'
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জনের জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এদিকে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল লড়াইয়ের সময়। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।
News/News/Congress Leader On Indian Army: 'এত সেনার দরকার কী, অন্য কাজে লাগানো হোক জওয়ানদের', বিতর্কিত মন্তব্য কংগ্রেস নেতার