'আমি শুধু ব্যবসার...,' গোয়া নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে নয়া মোড়, দিল্লি থেকে গ্রেফতার কো-ওনার

নাইটক্লাবের অন্যতম দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা এখনও পলাতক। তাঁরা রয়েছেন থাইল্যান্ডে, তাঁদের বিরুদ্ধে জারি রয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।

Published on: Dec 10, 2025 12:29 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নয়া মোড়। ম্যানেজারের পর এবার দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হল ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নাইটক্লাবের অন্যতম কর্ণধার অজয় গুপ্তকে। মর্মান্তিক ঘটনার পর পলাতক ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, নয়া দিল্লিতে গিয়ে লাজপত নগরের একটি হাসপাতালে শিরদাঁড়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অজয় গুপ্ত। এরপরেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে গোয়া পুলিশ।

দিল্লি থেকে গ্রেফতার কো-ওনার (সৌজন্যে টুইটার )
দিল্লি থেকে গ্রেফতার কো-ওনার (সৌজন্যে টুইটার )

এনডিটিভি-কে গ্রেফতার হওয়ার পর অজয় গুপ্ত জানিয়েছেন, 'আমি এই ক্লাবের একজন অংশীদার মাত্র। এই ঘটনায় আমার কোনও ভূমিকা নেই। ক্লাবে যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, এটা জানতামই না।' পুলিশ সূত্রে খবর, অজয় গুপ্তের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছিল। যখন তাঁর বাড়ি থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি তখন নয়া দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে শিগগিরই দিল্লির সাকেত আদালতে পেশ করা হবে। অজয়কে ট্রানজিট রিমান্ডে চাইছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। নাইটক্লাবের অন্যতম দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা এখনও পলাতক। তাঁরা রয়েছেন থাইল্যান্ডে, তাঁদের বিরুদ্ধে জারি রয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস। মুম্বইয়ের ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরই আসল বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, রবিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ দুই মালিকই বিমানে করে ফুকেটে পালিয়েছেন। সেখানেই আপাতত গা ঢাকা দিয়েছে তাঁরা। এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে ওই নাইটক্লাবের মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভরত কোহলি।

উত্তর গোয়ার আরপোরায় বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত জনপ্রিয় নাইটক্লাবে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন ধরে যায়। এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে অগ্নিদগ্ধ হয়ে। যার মধ্যে ২০ জন কর্মী। ৫ জন পর্যটক। ঘটনার তদন্তে জানা গিয়েছে, এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক অনিয়ম। বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ এবং অপর্যাপ্ত প্রবেশপথ-সহ ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে ওই ক্লাবের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর থেকে বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে। পাশাপাশি মৃতদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন সওয়ান্ত।