Delhi Blast Latest Update: মর্গে এখনও পড়ে উমরের একটি পা ও দেহের কিছুটা মাংস, কবর দেওয়ার জন্য নিয়ে যায়নি কেউ

উমরের পরিবার তার দেহাংশর গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা ছিল এই উমর। ২০১৭ সালে শ্রীনগরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেছিল সে। ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত ছিল এই জঙ্গি।

Published on: Dec 13, 2025 12:30 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লি বিস্ফোরণের একমাস অতিক্রান্ত। সেই হামলায় আত্মঘাতী উমর নবির দেহাংশ লোক নায়েক হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে। তবে এখনও পর্যন্ত তা কেউ নেয়নি। উমরের দেবাংশের মধ্যে তার পায়ের একটি টুকরো এবং দেহের অন্যান্য অংশের কিছু মাংসের টুকরো রয়েছে। তবে তার এই দেহাংশ কেউ নিতে আসেনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উমরের পরিবার এই দেহাংশর গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে।

হাওয়ালার মাধ্যমে ২০ লক্ষ টাকা পেয়েছিল উমর
হাওয়ালার মাধ্যমে ২০ লক্ষ টাকা পেয়েছিল উমর

উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা ছিল এই উমর। ২০১৭ সালে শ্রীনগরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেছিল সে। ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত ছিল এই জঙ্গি। গত কয়েক বছরে সে শ্রীনগর, অনন্তনাগ ও ফরিদাবাদের হাসপাতালে কাজ করেছিল। জানা গিয়েছে, লালকেল্লা হামলার প্রায় এক সপ্তাহ আগে উমর নবি পুলওয়ামায় গিয়েছিল। সেই সময় নিজের ভাইকে মোট দুটি ফোন দিয়ে এসেছিল উমর। পরিবারের সঙ্গে সেটাই তার শেষ দেখা।

উল্লেখ্য, উমর নহির আত্মঘাতী বিস্ফোরণে দিল্লিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন। তবে উমর, মুজাম্মিল, শাহিনরা আরও বড় হামলার ছক কষেছিল বলে জানা যাচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উমরের বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় একটি বোমা 'কারখানা' পাওয়া গিয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি পরীক্ষার সরঞ্জামও ছিল। ফরিদাবাদ থেকে মুজাম্মিলকে গ্রেফতারের পরপরই নাকি উমরের ল্যাবের বিষয়ে জানতে পেরেছিলেন তদন্তকারীরা। পাকিস্তানে অবস্থানরত জইশ হ্যান্ডলার ফয়সাল, হাশিম ও উকাশার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল মুজাম্মিল ও আদিলের। তারা টেলিগ্রামের মাধ্যমে কথা বলত। এদিকে পাকিস্তান থেকে উমরকে বোমা তৈরির ভিডিয়ো পাঠানো হয়েছিল। বিস্ফোরণের আগে এই তদন্ত চলাকালীন, ফরিদাবাদের দুটি জায়গা থেকে ৩৫৮ কেজি এবং ২৫৬৩ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে উমর আই২০ গাড়িতে যে আইইডি রেখেছিল, তা সঠিকভাবে অ্যাসেম্বল করা হয়নি। এই আইইডি সে নিজের বাড়িতেই প্রস্তুত করেছিল। সেই গাড়িতে প্রায় ২০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বোঝাই ছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, হরিয়ানার নুহ থেকে নগদে বিপুল পরিমাণ সার কিনেছিল উমর। সেই নগদ টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে তার কাছে এসে পৌঁছেছিল। এই আবহে একাধিক হাওয়ালা ডিলারকে আটক করে জেরা করা হয়েছিল। আত্মঘাতী হামলাকারী উমর জইশ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল বলেও জানা গিয়েছে তদন্তে।