Dhaka Airport Fire: ঢাকার বিমানবন্দরের পুড়ে যাওয়া কার্গো ভিলেজ থেকে অস্ত্র চুরি নিয়ে তোলপাড়ের মাঝে বরখাস্ত এক আনসার

অভিযুক্ত আনসার সদস্যের নাম জেনারুল ইসলাম। বিমানবন্দরে মোতায়েন এই আনসার সদস্য নাকি যাত্রীদের মোবাইল চুরি করে তা চোরাচালান করত। তবে অস্ত্র চুরির ঘটনার সঙ্গে এই আনসার সদস্যের যোগ আছে কি না, তা জানা যায়নি।

Published on: Nov 08, 2025 8:54 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পুড়ে যাওয়া কার্গো কমপ্লেক্সের স্ট্রংরুম থেকে আমদানি করা সাতটি অস্ত্র চুরি গেছে বলে সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছিল। এই আবহে কার্গো চুরির ঘটনায় তদন্তে নেমে এক আনসার সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই আনসার সদস্যের কাছ থেকে নাকি ১৫টি চোরাই মোবাইল ফোন পাওয়া গিয়েছে। অভিযুক্ত আনসার সদস্যের নাম জেনারুল ইসলাম। বিমানবন্দরে মোতায়েন এই আনসার সদস্য নাকি যাত্রীদের মোবাইল চুরি করে তা চোরাচালান করত। তবে অস্ত্র চুরির ঘটনার সঙ্গে এই আনসার সদস্যের যোগ আছে কি না, তা জানা যায়নি।

কার্গো চুরির ঘটনায় তদন্তে নেমে এক আনসার সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে
কার্গো চুরির ঘটনায় তদন্তে নেমে এক আনসার সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে

এদিকে বিমানবন্দরের চুরি যাওয়া অস্ত্রগুলো কোন বাহিনীর জন্যে আমদানি করা হয়েছে সেটা জানা যায়নি। কী কী অস্ত্র চুরি গেছে? আমেরিকায় তৈরি এম-ফোর কার্বাইন রাইফেল ও ব্রাজিলের টরাস পিস্তল। এই ধরনের অস্ত্র চুরি যাওয়ার পরও অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে লুকোচাপা করা হয়েছে। একটি জিডি করা হয়েছিল নাকি। সেখানে আবার অস্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়নি। স্ট্রংরুমের তালা ভাঙার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় মাত্র।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে বিধ্বংসী আগুন লেগেছিল। দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। তবে ততক্ষণে কোটি কোটি টাকার সরঞ্জাম পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের জেরে ঢাকা বিমানবন্দরে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। এই অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে নাশকতার ছক ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মহল থেকেই। তবে তদন্তে এখনও পর্যন্ত এই ধরনে কোনও প্রমাণ উঠে এসেছে বলে জানা যায়নি। এদিকে কার্গো ভিলেজে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে আমদানি করা প্রায় ১৮ টন বৈদ্যুতিক সামগ্রী পুড়ে গিয়েছিল বলেও জানা গিয়েছিল।

ঢাকা বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ২৫০টি কারখানার রপ্তানি পণ্য পুড়ে গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের পণ্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে সে দেশের বস্ত্র রফতানিকারকদের সংগঠন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এরই মাঝে ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের আগুন পরিকল্পিত হয়ে থাকতে পারে।

News/News/Dhaka Airport Fire: ঢাকার বিমানবন্দরের পুড়ে যাওয়া কার্গো ভিলেজ থেকে অস্ত্র চুরি নিয়ে তোলপাড়ের মাঝে বরখাস্ত এক আনসার