Trump on Canada & Greenland: শুধু গ্রিনল্যান্ড নয়, কানাডাও দখলের হুমকি ট্রাম্পের, চরম অপমান ইউরোপীয় নেতাদের
এর আগেও আমেরিকার ৫১তম প্রদেশ হিসেবে কানাডাকে দখল করার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়েই বেশি মাতামাতি করছিলেন। তবে আজ ডাভোসে অর্থনৈতিক সম্মেলনের আগে তিনি একটি কার্টুন প্রকাশ করেন।
কার্টুনের মাধ্যমে এবার গ্রিনল্যান্ডের পাশাপাশি কানাডাও দখল করার হুমকি ট্রাম্পের। এর আগেও আমেরিকার ৫১তম প্রদেশ হিসেবে কানাডাকে দখল করার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়েই বেশি মাতামাতি করছিলেন। তবে আজ ডাভোসে অর্থনৈতিক সম্মেলনের আগে তিনি একটি কার্টুন প্রকাশ করেন। তাতেই তাবড় ইউরোপীয় নেতাদের কার্যত অপমান করেন ট্রাম্প। সঙ্গে কানাডা দখলের হুঁশিয়ারি দেন।

ট্রাম্পের পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার, ইতালিয়ান প্রধানমন্ত্রী মেলোনি, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট বসে হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে। ট্রাম্প তাঁদের সামনে বাবকির ভঙ্গিমায় কথা বলছেন। তাঁর পাশে একটি মানচিত্র ঝোলানো। সেখানে কানাডা এবং গ্রিনল্যান্ডের ওপরেও মার্কিন পতাকা আঁকা।
এদিকে ডাভোসের সম্মেলনের আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর করা মেসেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনল্ড ট্রাম্প। এরই সঙ্গে জানা যাচ্ছে, ফ্রান্সের মদের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপাতে পারেন ট্রাম্প। উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সহমত নন ম্যাক্রোঁ। এদিকে গাজা নিয়ে ট্রাম্পের 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগ দিতে চাইছেন না ম্যাক্রোঁ। এই সবের মাঝে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে মেসেজ করে একটি ডিনার আয়োজনের কথা বলেছিলেন। আর সেই মেসেজ ট্রাম্প পোস্ট করে দেন অনলাইনে।
ট্রাম্পের পোস্ট করা মেসেজে লেখা, 'প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর তরফ থেকে প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতি: বন্ধু, আমরা সিরিয়া নিয়ে সহমত। ইরানের বিষয়েও আমরা ভালো জিনিস করতে পারি। আমি তাই বুঝতে পারছি না, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে এটা আপনি কী করছেন। আমরা আবারও নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করি বরং। আমি ডাভোসের সম্মেলনের পরে প্যারিসে জি৭ দেশগুলির প্রধানদের নিয়ে একটি ডিনারের আয়োজন করতে পারি। সেখানে ইউক্রেনিয়ান, সিরিয়ান এবং রাশিয়ানদেরও আমন্ত্রণ জানাতে পারি।'
উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। আগামী জুন মাস পর্যন্ত যদি আমেরিকাকে গ্রিনল্যান্ড না দেওয়া হয়, তাহলে এই শুল্কের হার বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার পথে হাঁটতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
E-Paper











