Donald Trump on Greenland: সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্রিনল্যান্ড 'দখল' করেই ফেললেন ট্রাম্প, তোপ ইউরোপকে

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, তিনি, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও পাথর ও বরফের মাঝে দাঁড়িয়ে। ট্রাম্পের হাতে মার্কিন পতাকা। সামনে একটি বোর্ডে লেখা - গ্রিনল্যান্ড, মার্কিন ভূখণ্ড, প্রতিষ্ঠিত ২০২৬।

Published on: Jan 20, 2026 12:16 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তার আগেই সোশ্যাল মিডিয়াতেই গ্রিনল্যান্ড 'দখল' করলেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, তিনি, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও পাথর ও বরফের মাঝে দাঁড়িয়ে। ট্রাম্পের হাতে মার্কিন পতাকা। সামনে একটি বোর্ডে লেখা - গ্রিনল্যান্ড, মার্কিন ভূখণ্ড, প্রতিষ্ঠিত ২০২৬।

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প এই ছবি পোস্ট করেছেন
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প এই ছবি পোস্ট করেছেন

এদিকে ডাভোসে ভাষণ রাখার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ফের একবার ইউরোপকে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, 'গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চিন এবং রাশিয়ার ঝুঁকির বিষয়ে ২০ বছর ধরে বলে আসছে ন্যাটো। তবে ইউরোপ সেই সতর্কবাণী অগ্রাহ্য করছে।' এদিকে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনে কথা হয়েছে। সেই কথোপকথন 'ভালো' ছিল বলে জানান ট্রাম্প। এরই সঙ্গে তিনি ফের একবার বলেন, মার্কিন এবং বিশ্ব নিরাপত্তার জন্যে গ্রিনল্যান্ড তাঁর চাই।

উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। আগামী জুন মাস পর্যন্ত যদি আমেরিকাকে গ্রিনল্যান্ড না দেওয়া হয়, তাহলে এই শুল্কের হার বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার পথে হাঁটতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ডের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তার আগে গত ১৪ জানুয়ারি ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রীরা মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওর সঙ্গে ১৪ জানুয়ারি বৈঠকে বসেছিলেন ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন এবং ভিভিয়ান মোটজফেল্ড। তবে সেই বৈঠকে 'মৌলিক মতানৈক্য' থেকে গিয়েছে বলে জানিয়েছে ডেনমার্ক।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের যুক্তি, গ্রিনল্যান্ড যদি আমেরিকার না হয়, তাহলে রাশিয়া বা চিন তা দখল করে নেবে। এদিকে ট্রাম্পের এই 'ভয়' দূর করতে ডেনমার্ক এবং ইউরোপের দেশগুলি গ্রিনল্যান্ডে সেনা মোতায়েন করছে। এদিকে ট্রাম্প চাইছে, গ্রিনল্যান্ড যে করেই হোক আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে আসুক। গ্রিনল্যান্ডে ইতিমধ্যেই মার্কিন ঘাঁটি আছে। তবে তাতে ট্রাম্পের মন ভরছে না। এই পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড দখল করার ক্ষেত্রে সামরিক শক্তি প্রয়োগেরও ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ তো আবার বলেছেন, ৫০০ বছর আগে ড্যানিশরা কয়েকটা জাহাজ অবতরণ করেছিল বলেই গ্রিনল্যান্ড তাদের হয়ে যায় না।