Trump on Iran: ৫০০ জনকে মেরে আলোচনা চায় ইরান, 'ওরা আমাকে ফোন করেছিল', বললেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করলেন যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সইয়দ আলি হোসেইনি খামেনেইর নেতৃত্বে ইরান তাঁর সঙ্গে 'আলোচনার' জন্য ফোন করেছিল। এদিকে ট্রাম্প রবিবারও ইরানে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিলেন।
ইসলামি শাসন বিরোধী আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৫০০ জনকে খুন করেছে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী। এরই মাঝে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করলেন যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সইয়দ আলি হোসেইনি খামেনেইর নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে 'আলোচনার' জন্য ফোন করেছিল। এদিকে ট্রাম্প রবিবারও ইরানে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিলেন। এদিকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার বার্তা দিয়েছেন। পেজেশকিয়ান বলেন, 'আমরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বসব। এটা আমাদের কর্তব্য। আমরা ওঁদের সমস্যার সমাধান করব।'
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করলেন যে তাঁর সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরান ফোন করেছিল (AFP)
বার্তাসংস্থা এপি-র রিপোর্ট অনযায়ী, ইরানে ৫৩৮ জন বিক্ষোভকারীকে খুন করেছে খামেনেইর নিরাপত্তাবাহিনী। এদিকে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের বার্তা 'ইরানের মানুষ স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে, তাদের সাহায্য করতে আমেরিকা প্রস্তুত'। আর রবিবার ট্রাম্প বলেন, 'একটি বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। তবে বৈঠকের আগেই হয়ত আমাদের পদক্ষেপ করতে হতে পারে।'
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পহলভি। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বৈধ, কিন্তু যারা অস্থিরতা ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জনগণের জীবিকা নির্বাহের বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলনে নেমেছেন ইরানের জনগণ। মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনীতির অবনতির ইস্যুতে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত। রাজধানী তেহরানসহ ইরান জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। ইরানি বাহিনীকে বহু জায়গায় তাড়া করছে সাধারণ মানুষ। ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর যে জনরোষ ইরানের পথেঘাটে দেখা গিয়েছিল, তারপর থেকে এটাই সবচেয়ে বড় আন্দোলন সেই দেশে। তবে তেহরান বলছে, এর পেছনে রয়েছে আমেরিকা। অনেক জায়গায় নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পহলভির নামে স্লোগানও দিচ্ছেন মানুষ। এর আগে ১৯৭৯ ইসলামি বিপ্লবের সময় তৎকালীন রাজা তথা রেজার বাবা ইরান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।
News/News/Trump On Iran: ৫০০ জনকে মেরে আলোচনা চায় ইরান, 'ওরা আমাকে ফোন করেছিল', বললেন ট্রাম্প